নয়াদিল্লি: দেশে চলছে লক ডাউন। এই অবস্থাতে জরুরি পরিষেবা চালু থাকলেও খাবার পৌঁছে দিতে সমস্যাতে পড়তে হচ্ছে জোমাটো সুইগির ডেলিভারি কর্মীদের। ইতিমধ্যে এই লক ডাউনের অধিকাংশ হোটেল এবং রেস্তোরাঁ বন্ধ। তবে যেকটা খোলা রয়েছে সেখান থেকে খাবার পৌঁছে দিতে গেলে অনলাইন ফুড ডেলিভারি কর্মী দের প্রশাসনের বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে। সব মিলিয়ে নাজেহাল পরিস্থিতির শিকার হতে হচ্ছে তাদের। এমনটা জানা গিয়েছে।

খাবারকে প্রয়োজনীয় পণ্যর আওতায় রাখা হলেও প্রায় দেশের সব শহরের ডেলিভারি কর্মীদের এই সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। এই বিষয় থেকে কিভাবে রেহাই পাওয়া যায় তার চেষ্টা চলছে বলেও জানিয়েছেন জমাটোর এক কর্মী। সোশ্যাল মিডিয়াতে জমাটো প্রধান জানিয়েছেন এই বিষয় নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে সমাধানের চেষ্টা চলছে।

সুইগির তরফ থেকে জানানো হয়েছে বড় নামী রেস্টুরেন্ট বন্ধ হওয়াতে চাহিদা বেড়েছে। এই সময়ে যাতে পরিষেবা দেওয়া যায় টা নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে কথাবার্তা শুরু হয়েছে। এখন দেখার কত দ্রুত সমাধান সূত্র পাওয়া যায়।

ইতিমধ্যে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের কারণে দেশ জুড়ে লক ডাউনের ডাক দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যদিও তার আগে থেকেই একাধিক রাজ্য এই ভাইরাস প্রতিরোধে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করেছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পরেই অত্যাবশ্যকীয় জিনিসের দোকান ছাড়া সব দোকান বন্ধ হয়ে গিয়েছে। যার জেরে সমস্যার মধ্যে রয়েছে সাধারণ মানুষ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।