নয়াদিল্লি: বিগত বছরের হিসেব বলছে জোম্যাটো-সুইগির মত খাবার সরবরাহকারী অ্যাপগুলিতে পর্যায়ক্রমে বেড়েছে কর্মসংস্থান। বিগত বছরগুলোতে এই সমস্ত অ্যাপগুলোতে যে পরিমাণ কর্মসংস্থান হয়েছে, তার থেকে ২০১৮ সালে কর্মসংস্থান বিপুল পরিমাণে বেড়েছে।

ফুড অ্যাপ ইন্ডাস্ট্রি ভারতের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে যে বড়সড় বিপ্লব ঘটিয়েছে তা নিয়ে নতুন করে বলার মত কিছু নেই। সম্প্রতি টাইমস অফ ইন্ডিয়া এই অ্যাপগুলি নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ্যে এনেছে। যে রিপোর্ট বলছে,২০১৮ সালে খাবার সরবরাহকারি অ্যাপগুলির সৌজন্যে দেশে কর্মসংস্থান ছুঁয়েছে দশ লক্ষ। এর মধ্যেই উল্লেখযোগ্যভাবে লক্ষ্য করা গিয়েছে এই সংক্রান্ত কর্মসংস্থানে বিপুলাংশে বেড়েছে মহিলাদের যোগদান। বিগত বছরগুলোতে এই সমস্ত অ্যাপগুলিতে ডেলিভারি গার্লের সংখ্যা ছিল ৪০ হাজার। ২০১৮ সালে সেই সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে ৬৭,৯০০।

‘টাইমস অফ ইন্ডিয়া’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জোম্যাটোর এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, “মেট্রোপলিটন সিটি থেকে ছোট শহর সর্ব ক্ষেত্রেই জ্যোমাটোতে বেড়েছে ডেলিভারি গার্লের সংখ্যা। যে সমস্ত মহিলারা বাইক চালাতে পারেন না তাঁদের জন্য সাইকেলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

টাইমস অফ ইন্ডিয়ার সঙ্গে কথা বলেন সদ্য জোম্যাটোতে যোগ দেওয়া ডেলিভারি গার্ল রিনা গুপ্তা। জানান, পরিস্থিতির চাপে পড়েই এই কাজে যোগ দিতে হয়েছিল তাঁকে। স্বামীর চাকরি চলে যাওয়ার পর হাতের সামনে কোনও কাজ না পেয়েই তিনি এই কাজে যোগ দেন। এখন দিনে ২০ টা করে অর্ডার সাপ্লাই করেন রিনা। সপ্তাহে আয় করেন ৬ হাজার টাকারও বেশি।

ভারতের প্রথম রূপান্তরকামী ফুড ডেলিভার প্রীথিসা যোগ দিয়েছেন উবের ইটস-এ। চেন্নাইয়ের এই সাহসীর কথায়, এখনকার দিনে লিঙ্গ আর মানুষের উড়ানে বাধা হয়ে দাঁড়ায় না। বহু রূপান্তরকামীই এগিয়ে আসছেন এই কাজে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।