আকাশপথে খাবার এসে পৌঁছবে ক্রেতার দরজায়৷ সেই পথেই হাঁটতে চলেছে জনপ্রিয় অনলাইন ফুড ডেলিভারি সংস্থা জোম্যাটো৷

কম সময়ে খাবার পৌঁছে যাবে ক্রেতার ঘরে৷ সেই লক্ষ্যেই আকাশপথ ব্যবহারের ভাবনাচিন্তা শুরু৷ এখন তো ডেলিভেরি বয়রা টু হুইলার নিয়ে সটান বেরিয়ে পড়েন খাবার ডেলিভারিতে৷ এতে সাকুল্যে ৩০ মিনিট সময় লাগে৷ সেই সময় আরও কমিয়ে আনতে চায় অনলাইন ডেলিভারি সংস্থাটি৷ কিন্তু সড়কপথে সবথেকে বড় সমস্যা ট্রাফিক৷ তাহলে উপায়?

আকাশপথ আছে তো৷ আর সেখানে তো কোনও সিগন্যাল নেই৷ ফলে দ্রুত খাবার পৌঁছে দেওয়া যাবে গন্তব্যস্থলে৷ এবার দ্বিতীয় প্রশ্ন, খাবার যাবে কীসে? উড়ে উড়ে? উড়েই যাবে, তবে ড্রোনে৷ জোমাটো জানিয়েছে, খাবার ড্রোনে চাপিয়ে ক্রেতার বাড়িতে পৌছে দেবে তারা৷ সেই পরীক্ষা হয়ে গিয়েছে৷ খুশির খবর, পরীক্ষা সফল হয়েছে৷

বুধবার অনলাইন ফুড ডেলিভারি সংস্থাটি আনন্দের সঙ্গে জানায়, ডিজিসিএ (ডাইরেক্টর জেনারেল অফ সিভিল এভিয়েশন) এর ছাড়পত্র নিয়ে প্রথম এইধরনের পরীক্ষা করা হয়৷ সেটি সফল হয়েছে৷ হাইব্রিড ড্রোনের মাধ্যমে পাঁচ কিমি দুরত্বে খাবারের প্যাকেট পৌঁছে দেওয়া হয়েছে৷ ড্রোনের স্পিড ছিল ৮০ কিমি৷ পাঁচ কিমি দুরত্ব পেরতে সময় লাগে মাত্র ১০ মিনিট৷ তবে এই পরীক্ষা কোথায় হয়েছে তা জানায়নি সংস্থাটি৷

জোম্যাটো জানিয়েছে, ৩০ মিনিট থেকে ১৫ মিনিটে খাবার পৌছে দেওয়া সম্ভব একমাত্র আকাশপথেই৷ দ্রুত খাবার পৌঁছে দেওয়ার জন্য রাস্তার ভরসায় না থাকাই ভালো৷ তবে এই পরীক্ষা আরও চলবে৷ নিরাপদে এবং সুষ্ঠুভাবে খাবার কীভাবে ডেলিভারি করা যায় তার জন্য আরও রিসার্চ ওয়ার্ক করা দরকার৷ তবে আকাশপথে ফুড ডেলিভারি আর অলীক স্বপ্ন নয় এখন৷

তবে এখনও অনেক পথ চলা বাকি৷ সরকারি নীতি নিয়মের বেড়াজাল আছে৷ সেখানেই সময় লেগে যাবে বিস্তর৷ এছাড়া ড্রোনগুলির মনিটরিং হবে কীভাবে সেটাও বড় প্রশ্ন৷ এই সব বাধা পেরতে পারলে আকাশপথে খাবার ডেলিভারি শুধু সময়ের অপেক্ষা৷