নয়াদিল্লি: সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে প্রতিদিন কত কিছুই না ভাইরাল হচ্ছে। আমাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া অবাক করা কিছু জিনিস এই সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে সহজেই হাতের মুঠোয় পৌঁছছে নেটপাড়ার সদস্যদের। যা কখনও কখনও হাসির খোরাক হয়ে উঠে, আবার তা কখনও নেটিজেনদের হৃদয় জিতে নেয়।

সম্প্রতি তেমনই একটি ঘটনা ঘটেছে রাজধানী দিল্লির বুকে। যা অল্প সময়ের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে নেটদুনিয়ায়। আর যে জিনিসটি ভাইরাল হওয়া নিয়ে এত হুলস্থুল কাণ্ড, সেটি হল একজন জোম্যাটো বয়ের টিকটক ভিডিও। ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হওয়ার পর থেকেই সেটি ঝড়ের গতিতে লাইক আর শেয়ারের বন্যায় ভেসে গিয়েছে।

অনলাইন খাদ্যবিপণী সংস্থা হিসেবে জোম্যাটোর নাম সবারই জানা। সম্প্রতি এই সংস্থার খাবার ডেলিভারি এক যুবকের সরলতা এবং তাঁর বুদ্ধিদীপ্ততার ভিডিও মুগ্ধ করেছে সকলকে। ভিডিওটিতে দেখা গিয়েছে, জোম্যাটোর খাবার ক্রেতাদের বাড়ি-বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কাজে নিযুক্ত ডেলিভারি বয় সনুকে। সদা হাসিমুখে টানা ১২ ঘণ্টা এই কাজ করে যায় সে। নিজের কাজ নিয়েই সুখি সে। নেই এতটুকু অভিযোগ সংস্থার কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। দৈনিক মাত্র ৩৫০ টাকার পারিশ্রমিকে এই অনলাইন সংস্থার খাবার সরবরাহের কাজে যুক্ত সনু। তাঁর এই সরল কথাবার্তার ভিডিও দেখে মুগ্ধ শুধু সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা নয়, তাঁর নান্দিকতায় মুগ্ধ স্বয়ং জোম্যাটো সংস্থা। বর্তমানে এই সংস্থার টুইটার অ্যাকাউন্টে হ্যাপি রাইডার হিসেবে সনুর ছবিই প্রোফাইল পিকচার হিসেবে বানিয়ে রেখেছে ওই সংস্থা।

তবে হাড়ভাঙা খাটুনির পর পারিশ্রমিক ৩৫০ টাকা হওয়ায় সনুর বেতন আরেকটু বাড়িয়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ার লোকজন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I