দীর্ঘ একবছরের বেশি সময় ধরে, যবে থেকে করোনা মহামারী আমাদের জীবনের প্রত্যক্ষ অঙ্গ হয়ে উঠেছে তবে থেকেই সংবাদ মাধ্যম ও চিকিৎসকদের থেকে আমরা জেনেছি শরীরের ইমিউনিটি বৃদ্ধি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি রুখে দিতে পারে এই মারণ ভাইরাসের সংক্রমণ। বর্তমানে এবার ঊর্ধ্বমুখী করোনা গ্রাফ। প্রত্যেক দিন ভারতে রেকর্ড সংখ্যায় মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন এই ভাইরাসে। ইতিমধ্যেই হসপিটালে বেড ও অক্সিজেনের অভাবের খবর সামনে আসছে। পরিস্থিতি ক্রমশ ভয়াবহ দিকে যাচ্ছে। এই অবস্থায় নিজেকে ভালো রাখতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে পদক্ষেপ করা আবশ্যক।

জিঙ্ক সম্বৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ করলে বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। ভিটামিন সি এর মত জিঙ্ক সম্বৃদ্ধ খাবার রোগ ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা অনেকটাই হ্রাস করবে। এই খনিজ পদার্থ আমাদের শরীরের ৩০০ ধরনের এনজাইমকে সঠিক ভাবে কাজ করতে সাহায্য করে যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি কোষ বিভাজন ও কোষের বৃদ্ধিতে উপকারী। প্রোটিনের মতোই আমাদের শরীর জিঙ্ক সঞ্চয় করে রাখে না। তাই প্রত্যেকদিন খাদ্যের মাধ্যমে শরীরে এর যোগান প্রয়োজন।

১. প্রাণিজ খাদ্যে সব থেকে বেশি পরিমাণ জিঙ্ক থাকে। শামুক জাতীয় মাছে এর উপস্থিতি সর্বাধিক। ওয়েস্টার জাতীয় মাছে সব থেকে বেশি পরিমাণ জিঙ্ক থাকে। এর পাশাপাশি শামুক জাতীয় মাছে ক্যালরির পরিমাণ কম এবং বি১২ ভিটামিন সম্বৃদ্ধ। কাঁকড়া, চিংড়ি জাতীয় মাছে ও জিঙ্ক থাকে। তাই এই জাতীয় খাবার খাওয়া প্রয়োজন।

২. মাংসেও থাকে জিঙ্ক। রেড মিট ও চিকেন দু’ধরনের মাংসের মধ্যে প্রচুর পরিমাণ জিঙ্ক থাকে। যেহেতু বেশি পরিমাণ রেড মিট খাওয়া ভালো নয় তাই এক্ষেত্রে চিকেন সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ। তাই মাংস খাওয়া দরকার।

৩. ডার্ক চকোলেটে থাকে জিঙ্ক। আপনার যদি কখনো মিষ্টি জাতীয় কিছু খাবার ইচ্ছে হয় তবে খেতে পারেন ডার্ক চকোলেট। ডার্ক চকোলেট শরীরের জন্য ও উপকারী। এতে উপস্থিত কোকা জিঙ্ক ও ফ্লাভানোল সম্বৃদ্ধ। জিঙ্কের যোগানের পাশাপাশি কোকা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

৪. যদি আপনার আমিষ জাতীয় খাবারে অনীহা থাকে তবে আপনি ছোলা, মুসুর, কলাই জাতীয় ডাল থেকে পরিপূর্ণ করতে পারেন জিঙ্কের যোগান। এই সব ডালে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকে। এর পাশাপাশি প্রোটিন , ভিটামিন, আইরন, কপার, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, ফসফরাস ইত্যাদি নানা খনিজ পদর্থের যোগান এখান থেকে পাওয়া যায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.