হারারে: অবশেষে কুর্সি ত্যাগ৷ টানা ৩৭ বছরের একটানা শাসন শেষ হল৷ জিম্বাবোয়ের ক্ষমতা থেকে সরেই গেলেন রবার্ট মুগাবে৷ সেই সঙ্গে আফ্রিকার মাটিতে আরও এক রাজনৈতিক পটপরিবর্তন৷ এর আগে মিশরের এক নায়ক শাসক হোসনি মুবারককে কুর্সি ছাড়তে হয়েছিল৷

বিবিসি জানাচ্ছে, মুগাবের পদত্যাগের খবরে পার্লামেন্টে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন সদস্যরা। উচ্ছ্বসিত জনতা নেমে পড়েছে রাস্তায়৷ ১৯৪০ সালে ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীন হওয়ার পর গত ৩৭ বছর ধরে দেশটির প্রেসিডেন্ট পদে ছিলেন তিনি৷

জিম্বাবোয়ে এবং মিশর দুই আফ্রিকান দেশ দেখেছে এক শাসকের টানা শাসন৷ জিম্বাবোয়ের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ১৯৮৭ সালে ক্ষমতায় এসেছিলেন রবার্ট মুগাবে৷ ৩৭ বছর পর তথাকথিত রক্তপাতহীন সেনা অভ্যুত্থানে তাঁকে ক্ষমতা ছাড়তেই হল৷ অন্যদিকে মিশরের ক্ষমতায় হোসনি মুবারক বসেছিলেন ১৯৮১ সালে৷ প্রবল রক্তপাত ও গণবিক্ষোভের জেরে ২০১১ সালে তাঁকে ক্ষমতা ছাড়তে হয়েছিল৷

মঙ্গলবার জিম্বাবোয়ের প্রেসিডেন্ট পদ থেকে মুগাবে পদত্যাগ করতেই আন্তর্জাতিক মহল আলোড়িত৷ বিশ্বের সবথেকে প্রবীণ শাসক হিসেবে ৯৩ বছরে মুগাবে ছিলেন গৃহবন্দি৷ ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্ত্রীকে কুর্সিতে বসাতে চেয়েছিলেন বলে অভিযোগ৷ পরিস্থিতি জটিল হয় তারপরেই৷ সেনাবাহিনী ঘিরে নেয় মুগাবের বাড়ি৷ তাঁকে গৃহবন্দি কার রাখা হয়৷ তবে কুর্সি ছাড়তে অনড় ছিলেন মুগাবে৷ তাঁর স্ত্রী পালিয়ে নামিবিয়াতে আশ্রয় নেন৷

গত কয়েকদিনে জিম্বাবোয়ের পরিস্থিতি ছিল টালমাটাল৷ মুগাবের বিরুদ্ধে দেশের জাতীয় সংসদের সদস্যরা ক্ষোভ দেখান৷ খোদ মুগাবের দলই তাঁকে কুর্সি থেকে সরে যাওয়ার কথা জানিয়ে দেয়৷ রাস্তায় রাস্তায় শুরু হয়েছিল মুগাবে বিরোধিতা৷
রয়টার্স জানিয়েছে, পরিস্থিতি আর অনুকূলে নেই দেখে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে চেয়েছেন মুগাবে৷ স্বেচ্ছায় তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে চিঠি লিখেছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।