বালুরঘাট : কায়াকল্প প্রকল্প পরিদর্শনে গেলেন বালুরঘাট জেলা হাসপাতালের রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের প্রতিনিধিরা। বুধবার তাঁরা ঘুরে দেখেন হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড। মূলত উন্নত রোগী পরিষেবা, চিকিৎসা পদ্ধতি ও সংক্রমন প্রতিরোধক ৬টি বিষয়ের উপর নজরদারী চালানোই এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। ছয়টি বিষয়ের উপরে নজদারী তথা পরিদর্শনের মাধ্যমে পয়েন্টেরও পদ্ধতি রয়েছে। সেই নিরিখে প্রথম পর্যায়ে ৭৬ শতাংশ নম্বর নিয়ে বালুরঘাট জেলা হাসপাতাল দ্বিতীয় পর্যায়ে পৌঁছে ফাইনালে অংশ গ্রহন করেছে।

বুধবার দক্ষিন দিনাজপুরের বালুরঘাট জেলা হাসপাতাল পরিদর্শনে আসেন রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের এডিএইচএস ডাঃ সিদ্ধার্থ নিয়োগী, নিউটিয়া নার্সিং স্কুলের অধ্যাপক বন্দনা দাস। হাসপাতালে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিক ডা: সুকুমার দে সহ অন্যান্য আধিকারিরা। ঘুরে দেখা হয় হাসপাতালের স্ক্যান বিভাগ থেকে শুরু করে পুরুষ,মহিলা, মাতৃমঙ্গল, বহিঃবিভাগ সব কিছু। হাসপাতালের চিকিৎসাধীন রোগী ও তাদের পরিবারের সঙ্গেও পরিষেবার বিষয়ে কথা বলেন আধিকারিকরা। খতিয়ে দেখা হয় রোগী ভর্তির রেজিস্ট্রারও। সংক্রমক ব্যাধি প্রতিরোধে নার্সদের ভূমিকা সম্পর্কেও জানতে চাওয়া হয়। ইঞ্জেকশন দেবার মতো ছোট অথচ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি নিয়েও পর্যালোচনা করা হয়। জানতে চাওয়া হয় রোগীদের জন্য বরাদ্দ খাবার পর্যন্ত পরীক্ষা করে দেখা হয়। পরিদর্শন শেষে জেলা হাসপাতালের বেশ কিছু  অব্যবস্থা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেন প্রতিনিধিরা। স্বাস্থ্যপরিষেবার বিষয়গুলিতে বিশেষভাবে জোর দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি রোগী পরিষেবা কিভাবে প্রদান করতে হবে তা হাতে কলমে নার্সদের দেখিয়ে দেন তাঁরা। শেষে কায়াকল্প প্রকল্প প্রতিযোগিতার বিষয়েও জানিয়ে যান মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিক। তিনি জানান কেন্দ্রীয় সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে প্রথম স্থান অধিকার করা হাসপাতালকে ৫০ লক্ষ টাকা এবং দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থানে থাকা  হাসপাতাল গুলিকেও পুরস্কৃত করা হবে বলে জানিয়েছেন ।