কলকাতা: কোথাও ধর্ষণ করে খুন, তো কোথাও নাচ থামানোর জন্য নতর্কীকে গুলি। বিগত কয়েকদিন ধরেই একের পর এক নারী নির্যাতনের ঘটনায় স্তম্ভিত দেশ। হায়দরাবাদে পশু চিকিৎসককে ধর্ষণ করে পুড়িয়ে মারা হোক কিংবা উন্নাওতে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে অভিযুক্তদের হাতে আক্রান্ত হয়ে মৃৃত্যু । দেশজুড়ে বাড়তে থাকা নারী নির্যাতনের ঘটনায় উদ্বেগপ্রকাশ করেছে নানা মহল। এরমাঝেই এই নিয়ে মুখ খুললেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

পশ্চিমবঙ্গে ধর্ষণের মত ঘৃণ্য অপরাধের ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থান নিয়েছে রাজ্য প্রশাসন। শুক্রবার এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। এ দিন সকালেই সংসদে মালদায় ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে তোপ দেগেছিলেন বিজেপি সাংসদ স্মৃতি ইরানি। তিনি বলেন, ‘হায়দরাবাদ থেকে উন্নাও এই সব বিষয়েই সরব হচ্ছেন তৃণমূল নেতারা কিন্তু মালদায় যা ঘটেছে তা নিয়েও তো একটাও কথা বলছেন না তাঁরা।’

তারই প্রেক্ষিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, রাজ্য এই ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়েছে। এই ঘটনার তদন্ত ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার মালদহের ধানতলা এলাকায় এক অপরিচিত যুবতীর অর্ধনগ্ন অবস্থায় অগ্নিদগ্ধ মৃতদেহ উদ্ধার হয়। স্থানীয় বাসিন্দা এবং পুলিশের প্রাথমিক ধারণা ওই যুবতীকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। যদিও ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে আসলেও এখনও পর্যন্ত মৃতের সঠিক নাম পরিচয় জানতে পারিনি পুলিশ। এই পরিস্থিতিতে ওই মহিলার দেহাংশের নমুনা সংগ্রহ করে ফরেনসিক ল্যাবে পাঠনোর ব্যবস্থা করছে পুলিশ। ধর্ষণ হয়েছে কি না সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হতে অটোপসির উপরেই ভরসা করছে পুলিশ।

এই প্রসঙ্গে জেলা পুলিশ সুপার অলোক রাজরিয়া বলেন, ‘অপরাধীদের খোঁজ পেতে পুলিশের তরফে তিনটি তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজও সংগ্রহ করা হচ্ছে। ওই মহিলার দুই হাতে দু’টি ট্যাটু রয়েছে। পরিচয় জানতে আগামী দিনে বিজ্ঞাপন দেওয়া হবে।’ ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে পুলিশের তরফে। পুলিশ সুপার আরও জানান, এলাকা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সেই নমুনা গুলি ফ্রিজাপ করা হয়েছে। দ্রুত ঘটনার তদন্ত শেষ করে যথাযোগ্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান পুলিশ সুপার।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।