চট্টগ্রাম: প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশকে স্বল্প রানে গুটিয়ে দেওয়ার পর তৃতীয়দিনের শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে লিড অনেকটাই বাড়িয়ে নিল আফগানরা। ৩৪২ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশকে ২০৫ রানে শেষ করে দেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে আফগানিস্তানের রান ৮ উইকেট হারিয়ে ২৩৭। অর্থাৎ, তৃতীয়দিনের শেষে ৩৭৪ রানে পিছিয়ে থেকে আফগানগানদের দাপটে ঘরের মাঠে অনেকটাই ব্যাকফুটে টাইগাররা।

ব্যাট হাতে অর্ধশতরান করার পর বল হাতে ৫ উইকেট তুলে নিয়ে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে এদিন নজির স্পর্শ করেন আফগান দলনায়ক রশিদ খান। শেলডন জ্যাকসন, ইমরান খান ও শাকিব আল হাসানের পর রশিদ হলেন চতুর্থ ক্রিকেটার, যিনি অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক ম্যাচে অর্ধশতরানের পাশাপাশি এক ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়ার নজির গড়লেন। ৮ উইকেটে ১৯৪ রান হাতে নিয়ে তৃতীয়দিনের শুরুতে মাত্র ১১ রান যোগ করেই প্রথম ইনিংসে ইতি ঘটে বাংলাদেশের।

প্রথম ইনিংসে ১৩৭ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতে বিপাকে পড়ে যায় তৃতীয় টেস্ট খেলতে নামা আফগানিস্তান। ২৮ রানের মধ্যে প্রথমসারির তিন উইকেট খুঁইয়ে বসে তারা। এরপর চতুর্থ উইকেটে হাল ধরেন অভিষেককারী ইব্রাহিম জাদরান ও প্রাক্তন অধিনায়ক আসগর আফগান। প্রথম ইনিংসে শতরানের পর রহমত শাহ দ্বিতীয় ইনিংসে ফিরলেন শূন্য রানে। তবে প্রথম ইনিংসে মাত্র আট রানের জন্য শতরান হাতছাড়া করা আসগর দ্বিতীয় ইনিংসেও অর্ধশতরান হাঁকালেন। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে আফগানদের হয়ে ব্যাট হাতে সবচেয়ে সফল জাদরান। প্রাক্তন অধিনায়কের সঙ্গে জুটি বেঁধে চতুর্থ উইকেটে ১০৮ রানের মূল্যবান পার্টনারশিপ গড়েন।

অর্ধশতরান পূর্ণ করে (৫০) আউট হন আসগর। কঠিন সময় ব্যাটিং অর্ডারের হাল ধরে দুরন্ত ইনিংস খেলেন অভিষেককারী জাদরান। ২০৮ বলে তাঁর ৮৭ রানের ইনিংস সাজানো ছিল ৬টি চার ও ৪টি ছয়ে। মূলত এই দুই ব্যাটসম্যানের ব্যাটেই ম্যাচে জাঁকিয়ে বসে আফগানরা। এছাড়াও আফসর জাজাই করেন ৩৪ ও রশিদ খানের ব্যাট থেকে আসে ২৪ রান। দিনের শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৩৭ রানে শেষ করে আফগানিস্তান। ৩ উইকেট নেন শাকিব আল হাসান, ২টি করে উইকেট সংগ্রহ করেন তাইজুল ইসলাম ও নইম হাসান।

৩৭৪ রানে এগিয়ে থেকে চতুর্থদিন বাকি দু’উইকেটে যতটা সম্ভব রান যোগ করে টাইগারদের বড় রানের লক্ষ্যমাত্রা চাপিয়ে দেওয়াই লক্ষ্য আফগানদের। একইসঙ্গে চট্টগ্রামের স্পিনিং ট্র্যাকে দ্বিতীয় ইনিংসেও ফের যদি তাঁর নেতৃত্বে ভেল্কি দেখাতে পারেন আফগান স্পিনাররা, তাহলে অধিনায়কত্বের অভিষেকে ঐতিহাসিক জয় সময়ের অপেক্ষা রশিদের জন্য।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।