সিমলা: ভারতে করোনাভাইরাসের মারাত্মক দ্বিতীয় তরঙ্গ এখন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে৷ আক্রান্তের সংখ্যাও প্রতিদিন হ্রাস পাচ্ছে৷ তবে কোভিড ত্রাণ পাঠানো থেকে বিরত নেই যুবরাজ সিং (Yuvraj Singh)৷ দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে সহায়তা করতে হিমাচল প্রদেশে কোভিড ত্রাণ পাঠাল যুবরাজের YouWeCan Foundation৷

যুবরাজের চ্যারেটি সংস্থা YouWeCan Foundation হিমাচল প্রদেশের কয়েকটি শহরে কোভিড চিকিৎসায় মেডিকেল সরঞ্জাম পাঠিয়েছে। ২০১২ সালে ক্যান্সারের লড়াই cancer survivor জিতে এই YouWeCan ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন যুবরাজ। শুক্রবার টুইট করে এ নিয়ে যুবরাজ লেখেন, “Trucks with COVID critical care beds and medical equipment left from Delhi for Theog and Rohru in Himachal Pradesh last evening. Support our exciting journey to change healthcare for India!”

উদ্বেগজনক কোভিড পরিস্থিতিতে দেশবাসীর পাশে দাঁড়াতে গত মাসে ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার যুবরাজ সিং(Yuvraj Singh) দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ১০০০টি বেড প্রতিষ্ঠাপিত(Set up) করার কথা ঘোষণা করছিলেন। যুবরাজ এই কাজটি করেন তাঁর সংস্থা ইউ উই ক্যান(YouWeCan) এবং ওয়ান ডিজিটাল এন্টারটেইনমেন্টের(OneDigital Entertainment) সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে।

যুবরাজ তাঁর এই উদ্যোগের কথা ঘোষণা করে টুইটারে লিখেছিলেন, ‘কোভিডের এই দ্বিতীয় ওয়েভ খুবই বিধ্বংসী। অগণ্য মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং হাজার হাজার মানুষ সংগ্রাম করছেন। #মিশন১০০০বেড(#Mission1000Beds) দেশের বিভিন্ন হাসপাতালের ক্রিটিকাল কেয়ার পরিষেবার পরিকাঠামো উন্নত করার জন্য নেওয়া একটি উদ্যোগ। এই লড়াইয়ে আমাদের সঙ্গে এগিয়ে আসুন, যাতে আমরা মূল্যবান জীবন বাঁচাতে পারি’। দেশের জার্সি গায়ে ৪০টি টেস্ট, ৩০৪টি একদিনের ম্যাচ এবং ৫৮টি টি-২০ ম্যাচ খেলা যুবরাজ মনে করেন কোভিডের বিরুদ্ধে এই লড়াইয়ে আমাদের সবাইকে স্বাস্থ্যপরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলির সাহায্যে এগিয়ে আসতে হবে।

গত বছরও ইউ উই ক্যান(YouWeCan) দেশের বিভিন্ন কোভিড সংক্রমিত রাজ্যে ১০ লাখেরও বেশি হাইজিন কিট অনুদান করেছিল। এছাড়াও ভারতের স্বাস্থ্য এবং পরিবার সুরক্ষা মন্ত্রক(Ministry of Health and Family Welfare), উইনিসেফ(UNICEF) এবং হু’য়ের(WHO) সঙ্গে হাত মিলিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কোভিড বিষয়ক সচেতনতা ক্যাম্পেনও আয়োজন করেছিল যুবরাজের এই সংস্থা ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.