নয়াদিল্লি: আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যুবরাজ সিংয়ের এক ওভার ছ’ ছক্কার রেকর্ডের এক যুগ কেটে গেল৷ ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০০৭ টি-২০ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড পেসার স্টুয়ার্ট ব্রডের বিরুদ্ধে এক ওভারে ছ’টি ছক্কা হাঁকিয়ে রেকর্ড গড়েছিলেন প্রাক্তন ভারতীয় ব্যাটসম্যান৷

১২ বছর আগে টি-২০ বিশ্বকাপের প্রথম সংস্করণে ভারতকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করেছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি৷ জো’বার্গে ফাইনালে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে পাকিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বসেরা হয়েছিল ‘মেন ইন ব্লু’৷ কিন্তু তার আগে ডারবানে ছক্কার রেকর্ড গড়েছিলেন যুবরাজ৷ ভারতীয় এই বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যানের এক ওভারে ছয় ছক্কার সাক্ষী ছিল ক্রিকেটবিশ্ব৷

কিংসমিডের বাইশ গজে যুবির ছয় ছক্কায় ভর করে ইংল্যান্ডের সামনে ২১৯ রানের টার্গেট রেখেছিল ভারত৷ তবে ১৮ ওভারে শেষে ভারতের স্কোর ছিল ৩ উইকেটে ১৭৩৷ অর্থার্ৎ শেষ দু’ওভারে ভারত তুলেছিল ৪৫ রান৷ যুবরাজের সঙ্গে ক্রিজে ছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি৷ যুবির ছয় ছক্কার ইন্ধন জুগিয়েছিলেন ইংল্যান্ড অল-রাউন্ডার অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ৷ ১৮তম ওভারে ফ্লিনটফেক দু’টি বাউন্ডারি মেরেছিলেন যুবির৷ তারপর যুবরাজের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয় ইংল্যান্ড অল-রাউন্ডারের৷ দু’জনকে থামাতে হস্তক্ষেপ করতে হয় আম্পায়ারকে৷

আর ১৯তম ওভারে ব্রডকে ছ’টি ছক্কা হাঁকান যুবির৷ প্রথম ছয়টি মারেন মিড-উইকেটের উপর দিয়ে৷ তারপরের ছয়টি হাঁকান ব্যাকওয়ার্ড স্কোয়ার লেগের উপর দিয়ে৷ তৃতীয়টি ওয়াইড লং অফ ও চতুর্থটি ফুলটস ডেলিভারি ডিপ পয়েন্টের উপর দিয়ে৷ পঞ্চম ও ষষ্ঠ ছয়টি মারে যথাক্রমে স্কোয়ার লেগ এবং ও ওয়াইড লং অনের উপর দিয়ে৷ এক ওভারে ছ’টি ছক্কা মেরে কিংবদন্তি ক্যারিবিয়ান অল-রাউন্ডার গ্যারি সোবার্সকে ছুঁয়ে ফেলেন যুবরাজ৷

এক ওভার ৩৬ রান নিয়ে মাত্র ১২ বলে হাফ-সেঞ্চুরি করেন যুবি৷ প্রথমবার আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্রিকেটে এক ওভারে ছ’টি ছক্কা হাঁকান যুবরাজ৷ এখনও পর্যন্ত আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্রিকেটে এটিই দ্রুততম হাফ-সেঞ্চুরি৷ শেষ পর্যন্ত ১৬ বলে সাতটি ছয় ও তিনটি বাউন্ডারি-সহ ৫৮ রানে অপরাজিত থাকেন যুবি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.