নয়াদিল্লি: রোহিত শর্মা কিংবা বিরাট কোহলিরা যতই আড়াল করুন না কেন, মোতেরার পিচ নিয়ে খুশি নন জাতীয় দলের প্রাক্তন তারকা যুবরাজ সিং। বিশ্বের বৃহত্তম স্টেডিয়ামের পিচ টেস্ট ক্রিকেটের জন্য আদর্শ নয়, এমনটাই ধারণা যুবির। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক টুইটে তাঁর মতামত ব্যক্ত করেন ওভারে ছয় ছক্কার নায়ক।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার ভারত-ইংল্যান্ড তৃতীয় তথা পিঙ্ক বল টেস্টের নিষ্পত্তি হয়েছে মাত্র ২ দিনের মধ্যে। প্রথম ইনিংসে ১১২ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে বৃহস্পতিবার ৮১ রানে শেষ হয়ে যায় ইংল্যান্ড। প্রথম ইনিংসে ৩৩ রানে এগিয়ে থাকা ভারতের সামনে মাত্র ৪৯ রানের লক্ষ্য দাঁড়ালে ৭.২ ওভারে তা তুলে দেন দলের দুই ওপেনার। আর এই ম্যাচ নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে গিয়ে যুবরাজ লেখেন, ‘সন্দেহ আছে এই উইকেট আদৌ টেস্ট ক্রিকেটের পক্ষে আদর্শ কীনা। অনিল কুম্বলে, হরভজন সিং’য়ের মত বোলার এমন পিচে খেললে হাজার কিংবা ৮০০ উইকেটে কেরিয়ার শেষ করত।’

তবে দুরন্ত স্পেলের জন্য অক্ষর প্যাটেল কিংবা টেস্ট ক্রিকেটে ৪০০ উইকেটের মাইলস্টোন স্পর্শ করার জন্য রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রাক্তন ২০১১ বিশ্বজয়ের নায়ক। মোতেরায় কেরিয়ারের শততম টেস্ট খেলতে নামা ইশান্তকেও অভিনন্দন বার্তা দিয়েছেন যুবি। তবে যুবি সমালোচনা করলেও বৃহস্পতিবার ম্যাচ জয়ের পর মোতেরার পিচ নিয়ে বলতে গিয়ে রোহিত বলেন, পিচে কোনও জুজু ছিল না। ‘হিটম্যানে’র কথায় ব্যাটসম্যানেরা নিজেদের যথাযথ প্রয়োগ করতে ব্যর্থ হয়েছে।

রোহিতের কথায়, ‘সত্যি বলতে পিচ তেমন কোনও প্রভাব ফেলেনি। আমরা যদি ফিরে দেখি তাহলে দেখব বেশিরভাগ ব্যাটসম্যানেরা স্ট্রেটার ডেলিভারিতে আউট হয়েছে। কেবল বিপক্ষ নয় আমরাও ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে অনেক ভুল করেছি। আমরা প্রথম ইনিংসে মোটেই ভাল ব্যাট করতে পারিনি। পিচে তেমন কোনও জুজু ছিল না। ব্যাট করার জন্য যথেষ্ট ভাল পিচ। একবার সেট হয়ে গেলে ভাল রান করা সম্ভব।’

কোহলিও রোহিতের সুরেই বলেন, ‘সত্যি বলতে আমার মনে হয় না ব্যাটিং উচ্চমানের হয়েছে বলে। আমরা ৩ উইকেটে ১০০ থেকে ১৫০ রানের মধ্যে গুটিয়ে গেলাম। এটা ভীষণই অবাক করার বিষয় যে ৩০ উইকেটের মধ্যে ২১টা উইকেটই স্ট্রেট বল থেকে এসেছে। টেস্ট ক্রিকেট মানে নিজের আত্মরক্ষার প্রতি বিশ্বাস রাখা।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।