নয়াদিল্লি: টি-২০ বিশ্বকাপের প্রথম সংস্করণে ভারতের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়া ছাড়াও একটি স্মরণীয় ঘটনা ঘটেছিল৷ বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক ওভারে ছ’টি ছক্কা হাঁকিয়ে নজির গড়েছিলেন যুবরাজ সিং৷ ইংল্যান্ড পেসার স্টুয়ার্ট ব্রডের ওভারে ছয় ছক্কা মেরে বিশ্বকাপে ভারতের জয়ডঙ্কা উড়িয়ে ছিলেন ‘পঞ্জাব কা পুত্তর’৷

ব্রডের সেই ওভারের ঠিক আগে যুবরাজকে তাতিয়ে দিয়েছিলেন অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ৷ যার ফল স্বরূর ব্রডের ওভারের পাশে লেখা ছিল ৬,৬,৬,৬,৬,৬৷ ভারতের এই বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যানের হাতে ছেলের এই নির্মম প্রহার দেখে ম্যাচের পরের দিন বাবা ক্রিস ব্রড যুবরাজকে বলেছিলেন, ‘তুমি তো আমার ছেলের কেরিয়ার প্রায় শেষ করে দিলে।’

ভারত-ইংল্যান্ড ম্যাচের ম্যাচ-রেফারি ছিলেন ব্রডের বাবা ক্রিস ব্রড৷ অর্থাৎ নিজের চোখের সামনে যুবির ব্যাটে ছেলেকে মার খেতে দেখেছিলেন ক্রিস৷ ম্যাচের পর দিন যুবির সঙ্গে কথা হয় ম্যাচ-রেফারি ক্রিস ব্রডের। তিনি যুবরাজকে বলেন, ‘তুমি তো আমার ছেলের কেরিয়ার প্রায় শেষ করে দিলে। এই জার্সিটা তোমাকে সই করে দিতে হবে। আর আমি ইংল্যান্ড ক্রিকেটের ভবিষ্যতের কথা ভেবে অল দ্য বেস্ট লিখে দিই৷’

২০০৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে বসেছিল প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপর আসর৷ জো’বার্গে ফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল মহেন্দ্র সিং ধোনির ভারত৷ সেই সঙ্গে এই বিশ্বকাপ বিশ্ববাসীর কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকে এক ওভারের ছয় ছক্কার৷ যার নায়ক ছিলেন যুবরাজ সিং৷ আর খলনায়ক ইংরেজ পেসার স্টুয়ার্ট ব্রড৷

 ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচ চলাকালীন ফ্লিনটফের সঙ্গে তর্কাতর্কি হয় যুবরাজের। এর পরে ওভারেই ব্যাট হাতে বিস্ফোরণ ঘটান যুবি। ব্রডের এক ওভারে ছ’টি ছক্কা হাঁকান তিনি। এ প্রসঙ্গে যুবরাজ জানান, ‘ফ্রেডির সঙ্গে আমার কথা কাটাকাটি হয়েছিল। ও আমাকে তাতিয়ে দিয়েছিল৷ পরের ওভারেই আমি ব্রডকে ছ’টি ছক্কা মারি। ছ’ নম্বর ছক্কা মারার পরেই আমি ফ্রেডির দিকে তাকিয়েছিলাম। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ছ’টি ছক্কা হাঁকিয়ে বেশ মজা পেয়েছিলাম।’

টি-২০ বিশ্বকাপে ভারত-ইংল্যান্ড ম্যাচের কয়েকদিন আগে দিমিত্রি মাসকারেনহাসকে এক ওভারে পাঁচটি ছক্কা মেরেছিলেন ভারতের এই বাঁ-হাতি। যুবি বলেন, ‘ব্রডের ওভারে ছ’টি ছক্কা মেরেই আমি প্রথমে তাকাই ফ্রেডির দিকে। তার পরে মাসকারেনহাসের দিকে। আমার দিকে তাকিয়ে মাসকারেনহাস হাসছিল।’

পরে অবশ্য স্টুয়ার্ট ব্রডকে বিশ্বের অন্যতম সেরা বলে প্রশংসা করেছিলেন যুবরাজ৷ তিনি বলেছিলেন যে, এক ওভারে ছয়টি ছক্কা খাওয়ার পরে ভারতের কোনও বোলারের এত দুর্দান্ত কেরিয়ার হবে না। স্টুয়ার্ট এখন বিশ্বের অন্যতম সেরা বোলার। আমি মনে করি না যে, ভারত থেকে কোনও বোলারেই ওভারে ছয়টি ছক্কা খাওয়ার পর এরকম দুর্দান্ত কেরিয়ার হতে পারে বলে৷’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।