স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: করোনাভাইরাস সংক্রমণের মোকাবিলায় অর্থ সংস্থানের লক্ষ্যে ত্রাণ তহবিল তৈরি করেছে রাজ্য সরকার। সেই তহবিলে এক কোটি টাকা দিল যুব তৃণমূল কংগ্রেস। যুবর সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একথা জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে ওই ত্রাণ তহবিল গঠনের সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, আপৎকালীন পরিস্থিতির মোকাবিলায় এই তহবিলের অর্থ দ্রুত বরাদ্দ করা যাবে। মূলত পরিকাঠামো তৈরি, বর্তমান পরিকাঠামোর সংস্কার ও সম্প্রসারণে এই অর্থ খরচ করা হবে। তা ছাড়া, করোনা মোকাবিলায় প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা গড়ে তোলা, আক্রান্তদের পুনর্বাসন এবং এই রোগের ওষুধ-প্রতিষেধক তৈরির জন্য গবেষণার কাজে খরচ করা হবে ওই ত্রাণ তহবিলের অর্থ।

নবান্ন জানিয়েছে, এই তহবিলের দায়িত্বে থাকবে অর্থ দফতর। এই দফতরের এক যুগ্মসচিব পদমর্যাদার এক কর্তাকে নোডাল অফিসার করা হয়েছে। যে কোনও ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, ট্রাস্ট, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এই তহবিলে অর্থ বরাদ্দ করতে পারবে। মুখ্যসচিবের নেতৃত্ব চার সদস্যের কমিটি থাকবে এই তহবিল পরিচালনার দায়িত্বে। কমিটির বাকি তিন সদস্য হলেন, অর্থ, স্বরাষ্ট্র ও প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের সচিবরা ।

তহবিলে জিনিসপত্র দিতে চাইলে যোগাযোগ করতে হবে স্বাস্থ্য দফতরের সচিব সঞ্জয় বনসলের সঙ্গে। তাঁর ফোন নম্বর- ৯০৫১০২২০০০, ই-মেল wbsacs@gmail.com। তহবিলে টাকা দিতে হলে নগদে নয়- চেক, ব্যাঙ্ক ড্রাফ্‌ট, অনলাইনে জমা করা যাবে। সেই জন্য অর্থ দপ্তরের যুগ্ম সচিব খালিদ এ আনোয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে ।

ইতিমধ্যেই করোনার মোকাবিলায় ১০ লক্ষ টাকা করে অনুদান দেওয়ার বাম বিধায়করা।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চিঠি লিখে বাম পরিষদীয় নেতা সুজন চক্রবর্তী লিখেছেন, বাম বিধায়করা এলাকা উন্নয়ন তহবিল থেকে জেলার সংশ্লিষ্ট হাসপাতালে করোনার চিকিত্সা পরিকাঠামো ও উপকরণের জন্য ন্যূনতম ১০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করবেন। এবিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শও জানতে চাওয়া হয়েছে।

শুধু বামেরা নয়, অনেক বিজেপি সাংসদই অনুদান দিয়েছেন। ১.৬ কোটি টাকা দিয়েছেন সুরিন্দর সিং অহলুওয়ালিয়া। হুগলির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় সাংসদ তহবিল থেকে দিয়েছেন ১ কোটি। বাঁকুড়ার সাংসদ সুভাষ সরকার ১ কোটি টাকা দিয়েছেন। বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার ৩০ লক্ষ টাকা ও সৌমিত্র খাঁ ৮০ লক্ষ টাকা। ৫০ লক্ষ টাকা দিয়েছেন পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় মাহাতো। ৫০ লক্ষ টাকা করে দিয়েছেন নিশীথ প্রামাণিক, রাজু বিস্ত, জন বার্লা। সকলেই নিজের এলাকার উন্নয়ন তহবিল থেকে করোনার চিকিত্সায় অনুদান দিয়েছেন।

মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, ‘এই তহবিলে অর্থ কিংবা জিনিসপত্র দিয়ে সাহায্য করা যেতে পারে। অনেকেই দিতে চেয়ে আগ্রহ দেখিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে এই পরিস্থিতিতে এখনও এক পয়সা পাইনি। মন্দা রয়েছে। তা আরও বাড়ছে। কোথায় শেষ হবে, তা জানি না। তবে আমরা তো আর পেট্রোল ও ডিজেলের ওপর সেস বসাতে পারবো না!’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।