পেনিনসুলা: ক্রিসমাস মানেই বিশ্ব জুড়ে আনন্দের, উৎসবের, খাওয়া-দাওয়ার মরশুম। উপহার দেওয়া- নেওয়া তো অপরিহার্য অঙ্গ এই উৎসবের। এখন তো ভারতেও বিপুল আনন্দের উন্মাদনা থাকে এই উৎসবকে ঘিরে। ঠাণ্ডা বাতাস বুকে নিয়ে ঘুরে বেড়ানো থেকে মনের কাজটি করা-সবই জানান দেয় যে সাদা দাড়ির সান্টাদাদু আসবে ঝোলা নিয়ে আমাদের খুশি করতে। কিন্তু এক জায়গা এমন আছে যেখানে সান্টা আসে না। তবে ক্রিসমাস সেখানেও পালিত হয়ে থাকে। সেখানে ১৩ টি ভয়াল মুখের বৃদ্ধ উপস্থিত হয় এই সময়ে। ভাবছেন এরা কারা? কেনই বা আসে?

এদের বলা হয়ে থাকে “ইয়ুল ল্যাড”। তারা সকলেই ভাই-বোন ও থাকে আইসল্যান্ডে। আমাদের কল্পনার সান্টাকে এই সময়ে এখানে খুব কম দেখা যায়। এই ১৪ জন বুড়োই নাকি আইসল্যান্ডের প্রাচীন সান্টা, এমনটাই লোকমুখে প্রচারিত। এদের সকলের চেহারা বেঁটে। সঙ্গে থাকে এদের একমাত্র বাহন কালো বিড়াল। এদের সবার চারিত্রিক বৈশিষ্ট আলাদা। মা গ্রাইলা এবং বাবা লেপ্পালুডির সঙ্গে এরা নাকি বছরের অন্যান্য সময় থাকে এক পাহাড়ের গায়ে। ইয়ুল ল্যাড, গ্রাইলাদের পুতুল-পোশাক খুবই জনপ্রিয় সেখানকার দোকানগুলিতে।

আরো পোস্ট- কেন শরীরে দরকার ডিমের পুষ্টি…

এরাও নাকি সেই সান্টা দাদুর মতোই ভালো সন্তানদের উপহার দিতে আসে। তাই বাড়ির বাইরে অনেকেই রেখে দেয় মোজা। তবে আরেকটি মজার বিষয় আছে এখানে। যেসব সন্তানরা দুস্টু, তাদের জন্যে উপহার আনে না তারা। সেই জায়গায় মোজায় থাকে পচা আলু। আবার এই বিশেষ দিন যে শিশুদের নতুন পোশাক না পরতে দেখে এদের মা গ্রাইলা, তাদের নাকি সে খেয়ে ফেলে। তবে একটা সময় পর্যন্ত এই ইয়ুলদের কথা শোনানো হতো না বাচ্চাদের। কারণ তখন তাদের এই ভালো ভাবমূর্তি ছিলো না। সকলেই ভয় পেতো তাদের। শোনা যায় মাঝে মাঝেই এরা রাস্তায় ঘুরে বেড়ায়। এখনো সেখানে এই বিশেষ ইয়ুলদের ১৩টি ভাই-বোনের অস্তিত্ব রয়েছে সেখানে পাহাড়ের গায়ে। মূলতঃ মানুষের মাঝে আনন্দ ছড়িয়ে দেওয়াই এদের উদ্দেশ্য ছিল। তারা চাইতেন যাতে কেউ উৎসবের মুহূর্তে দুঃখে বা কষ্টে না থাকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।