স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়াতে ৬ অক্টোবর নবান্ন অভিযানের ডাক দিল বিজেপির যুব মোর্চা। বুধবার এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন সংগঠনের রাজ্য সভাপতি সৌমিত্র খাঁ।

বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলার মাটিতে নিজেদের জমি শক্ত করতে দলের প্রত্যেক সংগঠনকে সমানভাবে কাজে নামাচ্ছে গেরুয়া শিবির। ক্রমশ সক্রিয় করে তোলা হচ্ছে যুব মোর্চাকেও। উল্লেখ্য, যুবর সভাপতি হওয়ার পরই নেড়া হয়ে বিষ্ণুপুরের মন্দিরে পুজো দিয়ে রাজ্যের যুব মোর্চা সদস্যদের হাতে ত্রিশূল তুলে দিয়েছিলেন সৌমিত্র খাঁ। রাজনৈতিক আক্রমণ থেকে আত্মরক্ষায় এত ত্রিশূল বিলি বলে জানিয়েছিলেন তিনি। এমনকি সংগঠনের কর্মী-সমর্থকদের বাড়িতে বাড়িতে ত্রিশুল রাখারও আবেদনও জানান বিজেপি যুব সৌমিত্র খাঁ। শুরু হয়েছে বিতর্ক। কিন্তু সেইসব বিতর্ককে পাত্তা না দিয়ে এবার নবান্ন অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।

কদিন আগে নতুন রাজ্য কমিটি ঘোষণা করে যুব মোর্চা। তখনই সিদ্ধান্ত হয়েছিল নবান্ন অভিযান করবে মোর্চা নেতৃত্ব। সৌমিত্র খাঁ এদিন বলেন, রাজ্যে কর্মসংস্থান নেই। ১০ বছর ধরে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ বন্ধ। শিক্ষক নিয়োগও বন্ধ। বেসরকারি চাকরিও নেই। বেকারত্বের জ্বালা প্রতিদিন কুরে কুরে খাচ্ছে কোটি কোটি যুবককে। এছাড়া দুর্নীতিতে আপদমস্তক নিমজ্জিত এই সরকারের এক মুহূর্ত ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই। মানুষের কথা এদের কানে পৌঁছয় না। তাই মানুষের দাবি সরকারের কানে পৌঁছতে আমরা নবান্ন অভিযানে নামব। সামাজিক দূরত্ব মেনে নবান্ন অভিযান করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সৌমিত্র জানিয়েছেন, ৬ অক্টোবর কলকাতায় জমায়েত করবেন যুব মোর্চার কর্মীরা। সেখান থেকে দ্বিতীয় হুগলি সেতু পেরিয়ে হবে নবান্ন অভিযান।

এদিন যুব মোর্চার বৈঠকে রাঢ় জোনের দায়িত্ব দেওয়া হয় প্রাক্তন সাংসদ অনুপম হাজরাকে। অনুপম হাজরা বলেন, “আমাকে রাজ্যে শিক্ষা সংক্রান্ত বিষয় দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এখানে শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে রাজ্য। শিক্ষাক্ষেত্রে অব্যবস্থার জন্যও নবান্ন অভিযানের মত আন্দোলন করা হবে।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।