নয়াদিল্লি :  আপনার বাচ্চা কী বেশি সোশ্যাল সাইটের প্রতি আকৃষ্ট? অনলাইন গেম, ভিডিও, কার্টুন, কবিতা ছাড়া কী মুখে ভাত তোলে না?  অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ঘাটতে ঘাটতে খারাপ কিছুর প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়ছে না তো ? সোশ্যাল মাধ্যমের যেমন কুফল রয়েছে তেমনই সুফলও রয়েছে৷ তবে আপনি যদি আপনার সন্তানকে সঠিক ভাবে ডিজিটাল মিডিয়ার ব্যবহার শেখাতে না পারেন তাহলে যেকোনও মুহুর্তে ঘটতে পারে হিতে বিপরীত।

একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে দেখা গিয়েছে বেশিরভাগ বাচ্চাই খাওয়ার সময় বা দিনের অধিকাংশ সময়ই সোশ্যাল মিডিয়া যেমন ধরুন অনলাইন গেম, ভিডিও, ইউটিউব দেখে কাটিয়ে দেয়। আবার বাচ্চা যাতে দুষ্টুমি না করে অথবা খাবার ঠিকমতো খেয়ে নেয় তারজন্য বেশিরভাগ বাবা মা-ই  ইউটিউবের মতো প্লাটফর্মের উপর বেশি ভরসা রাখেন। বাচ্চাকে খাওয়ানোর সময় ইউটিউবের নানা ভিডিও খুলে বসে পড়েন।

তবে এই ধরনের মাধ্যমের সঠিক ব্যবহার না জানলে খারাপ কোনও জিনিসের প্রতিও আকৃষ্ট হয়ে পড়তে পারে আপনার বাচ্চা। আর এই সমস্যা সমাধানে এবার বাচ্চাদের জন্য ইউটিউব নিয়ে আসতে চলেছে নয়া ফিচার।

জানা গিয়েছে, ইউটিউবের এই নয়া ফিচারে বাচ্চারা কোন ধরনের জিনিস দেখতে বেশী পছন্দ করবে বা শিশুর জন্য তার মা কী ধরনের ভিডিও, কার্টুন খুঁজছে তা অটোমেটিক সার্চ অপশনে গেলে অনেক গুলি লিংক খুলে যাবে মা বাবাদের সামনে।

আর মনে করা হচ্ছে নয়া এই সিস্টেমে কোন বয়সী বাচ্চাদের কোন ধরনের ভিডিও, প্রোগ্রাম, কার্টুন বা অন্য কিছু উপযোগী তা সবই বাবা মায়েদের সামনে তুলে ধরবে ইউটিউবের নতুন এই ফিচার৷ শুধু তাই নয়, আগামী মাস থেকেই নতুন সিস্টেম সকলের জন্য উপলদ্ধ হবে বলে জানা গিয়েছে।

আরও জানা গিয়েছে, ইউটিউবের নয়া এই ফিচারে কোনও কিছুর লাইভ স্ট্রিমিং দেখা যাবে। ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য উপযোগী সমস্ত ভিডিও, ছবি, ক্লিপিংস নতুন এই ফিচারের সেটিংসসে গেলে পাওয়া যাবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.