নয়াদিল্লি: দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের থাবায় নাজেহাল সকলে। প্রতিদিন কোভিডে আক্রান্তের সংখ্যা উদ্বেগের কারণ হিসেবে দাঁড়িয়েছে সরকার থেকে চিকিৎসক মহলে। সাম্প্রতিক সময়ে করোনা নিজের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে যেন প্রতিদিন রেকর্ড তৈরি করেছে। শুক্রবারের দৈনিক রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতে করোনা সংক্রমণের সংখ্যা ৩ লক্ষের ঘরে পৌঁছেছে। দেশের অনেক রাজ্যে সংক্রমণ রুখতে লকডাউন এবং কার্ফু পথে হেঁটেছে অনেক রাজ্য। বন্ধ করা হয়েছে রাজ্যের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে। পাশাপাশি গত ১৪ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী বৈঠকের পরে বন্ধ করে দেওয়া হয় ২০২১ শিক্ষা বর্ষের সিবিএসই বোর্ডের দশম শ্রেণির পরীক্ষা এবং স্থগিত করা হয় দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষাও। ভাইরাসের ক্রমবর্ধমান বেড়ে চলার কারণে সরকারী তরফে এই বোর্ডের পরিক্ষা বাতিল করবার জন্য অপেক্ষা করেছিল প্রায় ৩০ লক্ষেরও বেশি শিক্ষার্থী।

কোভিড মহামারীর সময়ে স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা ভেবে অনেক পড়ুয়া এবং অভিভাবক প্রধানমন্ত্রী কাছে সিবিএসসি বোর্ড পরীক্ষার বাতিলের আর্জি জানিয়ে চিঠি পাঠায়। ছাত্র এবং অভিভাবক ছাড়াও রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, আরবিন্দ কেজরিওয়াল সিবিএসসি বোর্ড পরীক্ষার বাতিলের আর্জি জানিয়েছে। এর পাশাপাশি আর্জি জানানোর তালিকায় রয়েছে যুবনেত্রী এবং সমাজসেবী সিয়া তায়াল। তিনি বর্তমান মহামারীর সময়ে ছাত্র, শিক্ষক এবং অভিভাবকদের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি পাঠায়। এই চিঠিতে সিয়া তুলে ধরেছেন করোনা সময়ে বোর্ড পরীক্ষার থেকেও প্রতিদিন বেঁচে থাকাটা বেশি গুরুত্বপূর্ণের মতো বিষয়কে।

১৩ এপ্রিল সিয়া তায়ালের @PMOIndia খোলা চিঠিতে সমর্থণ করেছে দেশের একাধিক ছাত্র থেকে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব। ২০২০ সালে করোনার প্রথম ঢেউয়ে সিয়া হারিয়েছিল তার বাবাকে। হৃদরোগের কারণে বাবাকে হারানো এবং সেই সময়ে নানা সমস্যাগুলি অনলাইনের মাধ্যমে তুলে ধরেছিল প্রধানমন্ত্রী এবং সমর্থকদের সামনে। এর পাশাপাশি এই সমজসেবী প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠিতে জানিয়েছে, ভারতে ১৬ বছরের নিচে বাচ্চাদের করোনার টিকা এখনও পরীক্ষা করা হয়নি। আবার প্রথম এবং দ্বিতীয় টিকা দেওয়ার পরেও করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা দেখা যাওয়ার বিষয়ও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া চিঠিতে সিয়া আরও লিখে জানিয়েছে, “ স্যার আমি আপনার কাছে অনুরোধ করছি ২০২১ সালে ভারতে বোর্ড পরীক্ষা বাতিল করা হোক, যাতে আমাদের মতো ছাত্ররা স্কুলে গেলেও কেউ অনুপস্থিত না থাকে।” ১৫ বছর বয়সী সিয়া তায়াল এক জনপ্রিয় সমাজসেবী মুখ হিসেবে পরিচিত সকলের কাছে। দেষের সঙ্গে বাইরেও ইউএন-তে বক্তৃতা দিয়েছে এই সমাজসেবী। 1m2030 এর আওতায় যুবদূত থাকার পাশাপাশি “দ্যা ইন্ডিয়ান ভলেন্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড”, “প্রামেরিকা ব্রঞ্জ অ্যাওয়ার্ড” পেয়েছে, এবং কুর্ট হান প্রাইজ ২০২০ জন্য মনোনীত হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.