কলকাতা: লোকসভা নির্বাচনের আগে বেকারত্বের প্রশ্ন সামনে এসেছে বারবার। সরকারের দাবি কর্মসংস্থান হয়েছে অনেক। কিন্তু তবুও বেকারের সংখ্যাকে হাতিয়ার করছেন বিরোধীরা। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে এবার নতুন করে আসরে নামছে নরেন্দ্র মোদী সরকার। আগামী বছরেই শুরু হচ্ছে বিশেষ প্রোগ্রাম। তাতে নাকি লক্ষাধিক বেকার যুবক-যুবতীর চাকরি হবে বলেই মনে করছে কেন্দ্রীয় সরকার। বেকারত্ব নিয়ে কেন্দ্রের মোদী সরকারের অস্বস্তি বাড়লেও স্বস্তি মমতা সরকারের। কারণ কেন্দ্রীয় সরকারের আর্থিক রিপোর্ট অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে বেকারত্বের হার দেশের গড়ের তুলনায় অনেক কম।

সম্প্রতি বিধানসভায় বিবৃতি দিয়ে এমনটাই জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় শুধু বিবৃতি দেওয়া নয়, এই বিষয়ে বিস্তারিত পরিসংখ্যানও বিধানসভায় তিনি পেশ করেছেন। এরপরে পার্থবাবু জানিয়েছেন, দেশে সার্বিকভাবে বেকারত্বের হার ৬.১ শতাংশ। কিন্তু সেখানে দাঁড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গে তা ৪.৬ শতাংশ। পরিসংখ্যান পেশ করে তিনি জানান, গুজরাত, তামিলনাড়ু, রাজস্থান, তেলেঙ্গানা, ওড়িশা, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশের থেকে বাংলায় বেকারত্বের হার অনেক কম। কারণ মমতা সরকার কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বিশেষ দিশা তৈরি করেছে। আর সেই দিশা অনুযায়ী রাজ্যে বেকারত্বের হার অনেকটাই কমে গিয়েছে বলে দাবি করেছেন তৃণমূলের মহাসচিব।

প্রসঙ্গত, মোদী সরকার শুরু করছে বিশেষ ‘অ্যাপ্রেন্টিসশিপ’ প্রোগ্রাম। ২০১৯ থেকেই শুরু হবে সেই প্রোগ্রাম। বিশেষত ‘হিউম্যানিটিস’- ও এই ধরনের বিষয়ে যারা পড়াশোনা করছেন তাঁদের এই সুযোগ দেওয়া হবে। সরকারি কিংবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীরা এই সুযোগ পাবে। এই বিশেষ প্রশিক্ষণে অংশ নিলে তারা পড়াশোনা শেষে সহজেই চাকরি পেতে পারে। ডিগ্রি কোর্সের শেষ বছরে ছাত্রছাত্রীরা এই প্রোগ্রামে অংশ নিতে পারবেন। ৬ থেকে ১০ মাসের এই বিশেষ কোর্স করানো হবে। এর জন্য সরকারের তরফে স্টাইপেন দেওয়া হবে। বিভিন্ন সংস্থা থেকে এই ট্রেনিং প্রোগ্রাম করানো হবে।