প্রতীকী ছবি

কলকাতা: ভাইফোঁটার নাম করে বাড়িতে ডেকে মারধর করার অভিযোগ৷ গুরুতর আহত অবস্থায় এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়,পরে সেখানেই মৃত্যু৷ চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে রবীন্দ্র সরোবর থানা এলাকায়৷ অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ৷

মৃতের পরিবারের দাবি, ভাইফোঁটা নিতে যাওয়ার কথা বলে সোমবার বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল প্রবীর দাস৷ তারপর ঢাকুরিয়ার পঞ্চাননতলায় এক বন্ধুর বাড়িতে যায়৷ সেখান থেকে তাকে নির্জন জায়গায় নিয়ে মারধর করে বন্ধুরা৷ এরপর গুরুতর আহত অবস্থায় প্রবীরকে সাদার্ন অ্যাভিনিউয়ে রাস্তার ধারে ফেলে বন্ধুরা পালিয়ে যায়৷

লেক থানা এলাকার রহিম ওস্তাগর লেনের বাসিন্দা প্রবীর দাসকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই রাতে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷ সেখানেই মঙ্গলবার তার মৃত্যু হয়৷ এরপর দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়৷

এই ঘটনায় মৃতের পরিবার প্রবীরের চার বন্ধুর বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করেছে রবীন্দ্র সরোবর থানায়৷ পুরনো শত্রুতার জেরেই মারধর,না এর পিছনে অন্য কোন কারণ রয়েছে,খতিয়ে দেখছে পুলিশ৷ তাছাড়া ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ৷

৩৮ বছরের প্রবীরকে যে জায়গায় মারধর করা হয়েছে,সেই জায়গাটি বালিগঞ্জ জিআরপি-র মধ্যে পড়ে বলে রবীন্দ্র সরোবর থানার পুলিশের দাবি৷ ফলে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানার জিআরপি পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে রবীন্দ্র সরোবর থানার পুলিশ৷

বছর খানেক আগেও কলকাতায় একটি নৃশংস ঘটনা ঘটেছিল৷ ঘরের মধ্যে পাওয়া গিয়েছিল ঊর্মিলা ঝুন্ড নামে এক বৃদ্ধার গলাকাটা দেহ ৷ আলাদা করা হয়েছিল ধড়-মাথা৷ ঘটনাটি ঘটেছিল গড়িয়াহাটের গড়চা এলাকায়৷

ঘটনার দিন সকালে ঊর্মিলার বাড়িতে আসেন তার পরিচারিকা৷ কিন্তু ওই পরিচারিকা ঊর্মিলাদেবীকে বার বার ডেকেও সাড়া পাননি৷ বিষয়টি সে প্রতিবেশীদের জানায়। তারা এসে জানলার পর্দা সরিয়ে দেখতে পান, বৃদ্ধার ঘরভর্তি রক্ত ৷ প্রতিবেশীদের মনে সন্দেহের দানা বাধে৷ ঘরের ভিতরটা ভাল করে দেখেন৷ তখনই দেখতে পান, ঘরের খাটে ওপর ঊর্মিলাদেবীর ক্ষতবিক্ষত দেহ৷

খবর দেওয়া হয় স্থানীয় থানায়৷ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে গড়িয়াহাট থানার পুলিশ। তারা দরজা ভেঙে ঘরের ভিতরে ঢোকেন৷ দেখতে পান খাটের ওপর ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় পড়ে রয়েছে ঊর্মিলাদেবীর দেহ। তার ধড়-মাথা আলাদা করা৷ শরীরের একাধিক জায়গায় গভীর ক্ষত রয়েছে। দেহটিকে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I