স্টাফ রিপোর্টার, বালুরঘাট: দুটি শেয়াল মেরে সোশাল মিডিয়ায় সেই ছবি দিয়েছিল ধৃত যুবক। সেই পোস্টটি নজরে আসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মেনকা গান্ধীর। তিনি সরাসরি বিষয়টি আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন বনদফতরকে।

খবর পাওয়া মাত্রই এলাকায় গিয়ে তদন্ত করে মৃত শেয়ালের মাথার খুলি ও চামড়া উদ্ধার করা হয়। এরপরেই ভিকি সরকারের নামে দক্ষিণ দিনাজপুরের তপন থানায় এফআইআর করা হয়৷ তারপর শুক্রবার তাকে গ্রেফতার করা হয়।

নৃশংসভাবে বন্যপ্রাণীর অঙ্গচ্ছেদ করা ও হত্যা করার অপরাধে মামলা রুজু করা হল ওই যুবকের বিরুদ্ধে৷ তদন্তে নেমে ঘটনার সঙ্গে আরও কয়েকজন জড়িত রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাদেরও গ্রেফতার করা হবে বলে ডিএফও জানিয়েছেন। তপনের ভাদ্রাইল এলাকা থেকে গ্রেফতার ভিকি সরকারকে শনিবার বালুরঘাট আদালতে হাজির করে পুলিশ।

আরও পড়ুন: আবিরের ফেভারিট সুশি, নাক শিঁটকোলেন অরুনিমা

এরপরেই বনদফতর ও পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে ভাদ্রাইল এলাকা থেকে মৃত শেয়ালের চামড়া ও হাড় উদ্ধার করে। সেই সঙ্গে বন্যপ্রাণ আইনে ভিকির বিরুদ্ধে এফআইআর করে।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মেনকা গান্ধীর তৎপরতায় ভিকিকে গ্রেফতার করল পুলিশ৷ বাড়ি তপন থানার ভাদ্রাইল এলাকা থেকে বন দফতর ও পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে৷ বনদফতর ও পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে ভাদ্রাইল এলাকা থেকে মৃত শেয়ালের চামড়া ও হাড় উদ্ধার করে। সেই সঙ্গে বন্যপ্রাণ আইনে ভিকির বিরুদ্ধে এফআইআর করে।

ভাইদ্রাইল এলাকায় অবস্থিত একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশের জঙ্গল থেকে শেয়াল এসে মাঝে মধ্যে খাবার খেয়ে যেত। সেই রাগে গত মঙ্গলবার স্থানীয় যুবক ভিকি দুইটি শেয়ালকে মেরে ফেলে৷ তারপর সেদিনই মৃতদেহের ছবি দিয়ে ফেসবুকে পোষ্ট করেছিল৷ সেখানে নিজেই জানিয়েছিল যে শেয়াল দুইটিকে সে মেরেছে।

রায়গঞ্জ ডিভিশনের ডিএফও দীপন দত্ত জানিয়েছেন, গত ২১ ডিসেম্বর তাঁরা জানতে পারেন যে তপনের ভাদ্রাইলে দুইটি শেয়ালকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। মারার পর মৃত শেয়াল দুইটিকে গাছে টাঙিয়ে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ গুলি কেটে ফেলা হয়। তপন থানার পুলিশ শনিবার অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে ৪২৯ আইপিসি ও ৯/৫১ বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ আইনে মামলা দায়ের করেছে৷

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও