স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাইপো পরিচয় দিয়ে এক মহিলা মডেলকে কু-প্রস্তাব ও প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার যুবক।ধৃতের নাম রণজিৎ বিশ্বাস ওরফে আকাশ। ওই যুবকের বিরুদ্ধে স্বয়ং মন্ত্রী এফআইআর দায়ের করেন রিজেন্ট পার্ক থানায়। সোমবার রাতে ওই এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

তদন্তে উঠে এসেছে, ধৃত আকাশ বিশ্বাস সোশ্যাল সাইটে প্রথমে বিভিন্ন তরুণীর সঙ্গে আলাপ জমাত। তারপর সেইসব তরুণীদের মডেলিংয়ে সুযোগ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে তাঁদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিত। পুলিশ জানিয়েছে, ওই যুবকের একাধিক ফেসবুক অ্যাকাউন্টও রয়েছে।

সেগুলিকে কাজে লাগিয়েও বন্ধুত্ব করত। নিজেকে স্বরূপ বিশ্বাসের ছেলে এবং পূর্তমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসেই ভাইপো বলে পরিচয় দিত। এ ভাবেই প্রভাব খাটিয়ে কাজের টোপ দিয়ে টাকা আদায় করত সে।

অভিযোগ, সম্প্রতি ঝাড়গ্রামের এক মডেল তরুণী কুপ্রস্তাব দেয় ওই যুবক।হোয়াটসঅ্যাপে তিনটি মেয়ের নানা মডেলিংয়ের ছবি দিয়ে তাঁর সঙ্গে শারিরীক ঘনিষ্ঠতার ইঙ্গিত দেয়। দাবি করে, “এই তিনটি মেয়ে কাজের আগেই ব্যক্তিগতভাবে আমার ঘনিষ্ঠ হয়েছিল।” চাইলে, জেদ করলেই সে এমন অনেক ‘এনজয়’ করতে পারে বলেও অশালীন ভাষায় হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে সে জানায়। ওই অভিনেত্রীকে মেসেজে সে বলে, “সে আমি তো চাইলে তোমার সঙ্গেও এনজয় করতে পারি।

কিন্তু ওই তরুণী রাজি না হয়নি। পালটা হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেছেন, “নিজেকে কি আমার সৃষ্টিকর্তা ভাব?” তখনই ওরফে আকাশ ধমক দিয়ে ভয় দেখিয়ে বলে,“ক্ষমতা থাকলে টালিগঞ্জের ইন্ডাস্ট্রিতে পা দিয়ে দেখাও। এই ইন্ট্রাস্ট্রির সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস আমার বাবা।” এখানেই থামেনি, পরের মেসেজে জানায়, “টালিগঞ্জের বিধায়ক, মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস আমার কাকু।”  এরপর ওই অভিনেত্রী প্রতারক আকাশের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজে কথাবার্তার স্ক্রিন-শট ও ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন।

পুলিশ সূত্রে খবর, প্রতারণার কথা জানতে পেরে সোমবার রিজেন্ট পার্ক থানায় অভিযোগ দায়ের করেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। ওই রাতেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধি ৪১৯, ৩৮৪, ৫০০ এবং ১২০বি ধারায় মামলা হয়েছে। এই ঘটনায় আর কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস বলেন, “এই ছেলেটির আটটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট আছে। আমাকে একজন তেমনই একটা অ্যাকাউন্টের স্ক্রিনশট পাঠায়। সেখানে লেখা স্বরূপ বিশ্বাস ওর বাবা। আর অরূপ বিশ্বাস ওর কাকা। সেটা দেখেই আমি এফআইআর করি।”

এ বিষয়ে ডিসি (দক্ষিণ শহরতলি) রশিদ মুনির খান বলেন, “অভিযোগ পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই গ্রেফতার করা হয়েছে প্রতারককে।”মঙ্গলবার ধৃত যুবককে আলিপুর আদালতে পেশ করেছে পুলিশ। খতিয়ে দেখা হচ্ছে এর পিছনে কোনও চক্র জড়িত আছে কিনা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।