BSF Fire

বালুরঘাট: গুলি চালানোর ঘটনা ঘটলো হিলির ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে। হিলির অন্তর্গত নীচা গোবিন্দপুর গ্রামের ঘটনা। শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলির টুকরো লেগে জখম এক যুবক। কাঁটাতারের বেড়ার ওপর থেকে সেওয়াই’এর প্যাকেট নিয়ে আসাকে কেন্দ্র করে বিএসএফের সাথে বাসিন্দাদের বচসা ও পরে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ছররা গুলি চালাতে বাধ্য হয় বিএসএফ। গুলিতে আশরাফুল মোল্লা নামের একজন জখম হয়েছেন। বালুরঘাট সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল তার চিকিৎসা চলছে।

হিলি থানার অন্তর্গত ভারত-বাংলা সীমান্তবর্তী কাঁটাতারের বেড়ার ওপারের গ্রাম নীচা গোবিন্দপুর। বুধবার সকালে গ্রামবাসীদের সাথে বিএসএফ’র তর্কাতর্কি ও বচসার জেরে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। বাসিন্দারা একত্রিত হয়ে বিএসএফ জওয়ানদের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন বলে অভিযোগ। উত্তেজিত বাসিন্দাদের ছত্রভঙ্গ করতে বিএসএফ’এর দিক গুলি চালানো হয় বলে বাসিন্দাদের অভিযোগ। বিএসএফএর ছোড়া ছররা গুলিতে আহত হয়েছেন গ্রামবাসীদের একজন। বালুরঘাটের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি ২৭ বছর বয়সী জখম ওই যুবকের নাম নাম আশরাফুল মোল্লা।

বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে এদিন নীচা গোবিন্দপুরে বাড়ি আশরাফুল মোল্লা সেওইয়ের কিছু প্যাকেট নিয়ে বেড়ার এপাড়ের গ্রাম বলপাড়ায় যাচ্ছিলো। প্রহরারত জওয়ানরা তাতে বাধা দিলে উভয়ের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। খবর পেয়ে আশপাশ থেকে অন্যান্য জওয়ানরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে গ্রামবাসীরা তাদের ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখানোর পাশাপাশি ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন বলে অভিযোগ। উত্তেজিত ছত্রভঙ্গ করতে এর পরেই এক বিএসএফ জওয়ান ছররা গুলি চালায়।

বিএসএফের গুলিতে জখম যুবকের মা বিলকিস বেওয়া জানিয়েছেন তাঁর ছেলে ঈদ উপলক্ষে সেমাইয়ের প্যাকেট নিয়ে বেড়ার এপারে অবস্থিত বলপাড়ায় যাচ্ছিল। সেই সময় বিএসএফ জওয়ানরা অন্যায় ভাবে তার ছেলের হাত প্যাকেটগুলো কেড়ে মাটিতে ফেলে দেয়। এই ঘটনার প্রতিবাদ করাতেই বিএসএফ গুলি চালিয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন।

নিচা গোবিন্দপুর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে একটি জমি। এটি ভারত সীমান্তের কাঁটাতারের বাইরে ঘেরা স্থান। নির্দিষ্ট সময়ে এই স্থানের ফটক খুলে যাতায়াতের অনুমতি দেয় বিএসএফ। নিচা গোবিন্দপুরবাসী দীর্ঘ সময় ধরে ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে এমন করেই যাতায়াত করেন। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, যে কারণে গ্রামবাসীদের সঙ্গে বিএসএফের বচসা হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গুলি চালানোর ঘটনায় এই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতিয় থমথমে পরিস্থিতি।।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.