আগ্রা: ভারতের মাটিতে উঠল পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান। তাও আবার তাজমহলের মতো সৌধের সামনে। লোকসভা নির্বাচনের আগে যা নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।

আরও পড়ুন- আমি যদি মনে করি তৃণমূলকে একটাও দেওয়াল লিখতে দেব না: অর্জুন

শুক্রবারে ঘটনাটি ঘটেছে উরুস উৎসব চলাকালীন। তাজমহলের প্রতিষ্ঠাতা সম্রাট শাহজাহানের সম্মানে প্রতি বছরে তাজমহল চত্বরে উরুস উৎসব পালন করা হয়ে থাকে। শুক্রবার সেই উৎসবের শেষ দিন ছিল। আর সেদিনই ঘটেছে বিপত্তি।

আরও পড়ুন- সাইক্লোনের তাণ্ডব থেকে শিক্ষা নিয়েই প্রতিষ্ঠা হয় আবহাওয়া দফতর

বর্তমান যুগে প্রায় সব মুহূর্ত মোবাইল ক্যামেরায় বন্দি করে রাখে মানুষ। তেমনই উরুস উৎসবও বন্দি হচ্ছিল ক্যামেরায়। সেই সময়েই মাঝে এক যুবক পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান দিয়েছে। এবং সেই মুহূর্তের ভিডিও রেকর্ড হয়ে গিয়েছে মোবাইল ক্যামেরায়।

আরও পড়ুন- জেলাশাসক ও এসপির বিরুদ্ধে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার অভিযোগ

বিতর্কিত ভিডিও ভাইরাল হতে খুব বেশি সময় নেয়নি। ভিডিও-টিতে খুব স্পষ্টভাবে দেখা গিয়েছে যে এক যুবক পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান দিচ্ছে এবং ভিড়ে মধ্যে মিশে যাচ্ছে। যদিও অভিযুক্ত ওই যুবককে চিহ্নিত করতে পারেনি পুলিশ। শেষ পাওয়া খবর অনুসারে, অভিযুক্ত যুবক সম্পর্কে তেমন কোনও তথ্যও হাতে আসেনি।

আরও পড়ুন- লোকসভার লড়াইকে ভারত-পাক যুদ্ধের সঙ্গে তুলনা তমলুকের বিজেপি প্রার্থীর

আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে জানান হয়েছে যে উরুস উৎসবের অঙ্গ হিসেবে ভক্তরা সবুজ চাদর নিয়ে আসছিল। সেই শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া প্রায় সকলেই ছিল যুবক এবং শিশু। তাজমহলের রয়্যাল গেট পার হতেই পাকিস্তান জিন্দাবাদ বলে চিৎকার করে ওঠে ওই যুবক। এরপরে একবার পিছনে ঘুরেই ভিড়ের মধ্যে মিশে যায়। তার খোজে সংলগ্ন তাজগঞ্জ এবং আগ্রার অন্যান্য এলাকায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

আরও পড়ুন- ভোটের আগে বিজয় মিছিলের ‘ট্রেলার’ সারল তৃণমূল

উরুরস উৎসবের সময়ে বহু মানুষের সমাগম হয় তাজমহলে। অনেক অযাচিত ব্যক্তি প্রবেশ করতে পারে এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কাও থাকে। স্থানীয় গোয়েন্দা বিভাগের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে আগাম সতর্কতা জারি করেছিল। সেই কারণে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থাও করা হয়। এবারেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তার মাঝেও এই ধরনের ঘটনায় বাড়ছে বিতর্ক। উরুস কমিটির পক্ষ থেকে ওই যুবকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রুজু করা হয়েছে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও