কলকাতা : দেশে ক্রমবর্ধমান করোনা ভাইরাস বেড়ে চলার কারণে ফের একবার নতুন করে লকডাউন জারি করা হয়েছে। একাধিক পরিষেবা বন্ধ হওয়ায় কর্মহীন হয়ে পড়েছে দেশের বহু মানুষ। অনেকে কাজ হারিয়ে ধীরে ধীরে অন্য রাজ্য থেকে ফিরে যাচ্ছে নিজের মাটিতে। এই অবস্থায় মানুষকে খানিকটা সাহায্য করার জন্য রিলায়েন্স জিও নয়া সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

মুকেশ আম্বানির এই টেলিকম সংস্থা সম্প্রতি জানিয়েছে, করোনা ভাইরাসের সংকটের সময়ে যে সকল জিও ফোন গ্রাহক রিচার্জ করতে অক্ষম, তারা প্রতি মাসে ৩০০ মিনিটের আউটগোয়িং কলের সুবিধা পাবে। জিও ফোন ব্যবহারকারীদের বিনামূল্যে কলের সুবিধা সরবরাহের জন্য রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রির অলাভজনক বাহিনী রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন-এর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে। ফ্রী কলের পাশাপাশি জিও ফোন ব্যবহারকারীদের মিলবে একটি বাই ওয়ান গেট ওয়ান রিচার্জ অফার।

টেলিকম সংস্থা জিও একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই মহামারীর সময় জিও ফোন ব্যবহারকারীদের জন্য সংস্থা ৩০০ মিনিটের আউটগোয়িং কলের সুবিধা দিচ্ছে।

মাসে ৩০০ মিনিটের ফ্রী কোটা অর্থাৎ একজন জিও ফোন ব্যবহারকারী প্রতিদিন ১০ মিনিটের জন্য ফ্রী কল করার সুবিধা পাবে। এর অর্থ দাড়ায় যে, দিনে ১০ মিনিটের বেশি কল করার সুবিধা মিলবে না ব্যবহারকারীদের। ৩০০ মিনিট ফ্রী আউটগোয়িং কলের সুবিধার তালিকা শুধুমাত্র রাখা হয়েছে জিও ফোন ব্যবহারকারীদের। তবে এই অফার কতদিন পর্যন্ত গ্রাহকদের মিলবে সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু উল্লেখ করা হয়নি ।

ফ্রী কলিং এর পাশাপাশি জিও ফোন গ্রাহকদের বাই ওয়ান গেট ওয়ান অফার টিও দেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ কোন গ্রাহক যদি ৭৫ টাকার একটি পরিকল্পনা রিচার্জ করে থাকেন, তবে মিলবে অধিক আরো একটি ৭৫ টাকার পরিকল্পনা। প্রথম রিচার্জ শেষ হওয়ার পরে অ্যাক্টিভ হবে দ্বিতীয়টি।

মুকেশ আম্বানির সংস্থা রিলায়েন্স জিও ভারতে তাদের ১০০ মিলিয়নেরও বেশি জিও ফোন ব্যবহারকারী থাকার দাবি করেছে। পাশাপাশি এই অপারেটর সংস্থাটি আগামী দিনে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন গ্রাহক সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়েছে বলেও জানা গেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.