১১ অগাষ্ট, মঙ্গলবার শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি। সেদিন জন্মাষ্টমী। বহু মানুষই বাড়িতে গোপালকে ভোগ দিয়ে জন্মাষ্টমী পালন করেন। কিন্তু জানেন কি এই বিশেষ দিনটি পালনের কিছু রীতি রয়েছে। সহজ এই রীতি বা নিয়মগুলি পালন করলেই জীবনের অনেক বিপদ এড়ানো সম্ভব বলে বিশ্বাস করেন অনেকেই।

১. জন্মাষ্টমীতে একটি ছোট্ট রূপোর বাঁশি কিনুন। পুজোর সময় তা ভগবান কৃষ্ণের মূর্তি বা গোপালের মূর্তির সামনে রেখে দিন। পুজো হয়ে গেলে তা তুলে নিয়ে নিজের ব্যাগে বা পার্সে রেখে দিতে পারেন। প্রচলিত বিশ্বাস, এই কাজ করলে কোনও বিপদ কাছে ঘেঁষতে পারে না।

২. গোপাল পুজোর আগে কিছু খাওয়া নিষিদ্ধ। যদি কিছু খেয়ে ফেলেন, তবে ফের ব্রাশ করে শুদ্ধ ভাবে পুজোয় বসতে হবে।

৩. জন্মাষ্টমীর প্রসাদ কাউকে বিতরণ করার আগে তার মধ্যে দিন তুলসি পাতা। এতে গোপাল তুষ্ট হন বলে বিশ্বাস ভক্তদের।

৪. শ্রীকৃষ্ণের পুজোয় ব্যবহার করুন মাটির প্রদীপ বা তামা-পিতলের প্রদীপ। কোনওভাবেই ভুল করেও স্টিলের প্রদীপ বা লোহার প্রদীপ ব্যবহার করবেন না।

৫. জন্মাষ্টমীতে কৃষ্ণ ও বলরামের মূর্তিতে রাখি বাঁধুন। আপনার বিপদ সংকট রক্ষা করবেন তিনিই।

৬. এই বিশেষ দিনে কোনও মন্দিরে ফল ও শষ্য দান করুন। ভাগ্য সুপ্রসন্ন হবে বলে বিশ্বাস

৭. শ্রীকৃষ্ণের ভোগে অবশ্যই রাখুন মাখন ও মিছরি, যা গোপালের একান্ত প্রিয়। এতে ভক্তের মনের সব ইচ্ছা পূর্ণ করেন ভগবান কৃষ্ণ।

৮. কৃষ্ণের পুজোর ফুল টাটকা হতে হবে। বাসি ফুল পুজোর আগেই ঠাকুরের সিংহাসন থেকে সরিয়ে ফেলুন।

৯. জন্মাষ্টমীর বিশেষ পুজোয় রাখুন ময়ূরের পালক। মাথায় ময়ূরের পালক ধারণ করেন ভগবান কৃষ্ণ। সেই পালক শ্রীকৃষ্ণের অংশ বলেই মনে করেন ভক্তরা।

এছাড়াও, এই দিন বাড়ি ঘর পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করে যতটা সম্ভব ফুল দিয়ে সাজিয়ে তুলুন৷ এরপর তাড়াতাড়ি স্নান করে শুদ্ধ বস্ত্র পড়ে গোপালের দোলনা সাজান৷ রাত ১২টার বাজলে আরতি শুরু করুন। শাস্ত্রমতে, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ জন্মগ্রহণ করেছিলেন ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। চন্দ্র বৃষরাশির রোহিনী নক্ষত্রে প্রবেশ করার পরই শুরু হয় জন্মাষ্টমী৷ রোহিনী শ্রীকৃষ্ণের জন্মনক্ষত্র৷ বৃষ তাঁর রাশি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।