বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার অধীনে প্রত্যেক বড়িতে গ্যাস সিলিন্ডার পৌঁছে গিয়েছে। বিশেষত প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চলে এই যোজনার ফলে লাভ পেয়েছেন বেশ কিছু মানুষ। দেশের শহরাঞ্চলে অনেকে তাদের রান্না ঘরে পিএনজি-সংযোগ ব্যবহার শুরু করলেও, বিপুল সংখ্যক লোক এখনও এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহার করে থাকেন। সুতরাং একটা ব্যাপার পরিষ্কার, যে শহুরে বা প্রত্যন্ত গ্রাম, সব জায়গাতেই এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবহার রয়েছে।

যখন আপনার বাড়িতে এল্পিজি গ্যাস সিলিন্ডার শেষ হয়ে যায়, এবং তা বদলানোর দরকার হয়ে পড়ে তখন কিছু বিষয় অবশ্যই আপনার মাথায় রাখা দরকার। আপনার রান্নাঘরে নতুন সিলিন্ডার নেওয়ার আগে তার ব্যাবহারের শেষ তারিখ চেক করে নিতে হবে। এর কারণ হল, সিলিন্ডার যদি মেয়াদ উত্তীর্ণ হয় তবে আপনার বাড়িতে আপনি নিজেই ডেকে আনলেন বড় বিপদ।

আরও পড়ুন- একের বেশি প্যান কার্ড, মহা বিপদে পড়তে পারেন আপনি

লক্ষ্য রাখুন, আপনার এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার প্রদানকারী কি আপনার পরিবার ও বাড়ির অন্যান্য জিনিসপত্রের বীমা অর্থাৎ ইনসরেন্স দিচ্ছে? যাতে যদি কোনও বড় দুর্ঘটনা ঘটে তখন কি হবে? তবে যদি আপনার এলপিজি সিলিন্ডারটি মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যায়, তাহলে কিন্তু আওনি বীমার টাকা পাবেন না। তাই অবশ্যই সিলিন্ডারের মেয়াদ শেষ হয়েছে কিনা তা দেখে নেওয়া উচিৎ।

কীভাবে এলপিজি সিলিন্ডারের মেয়াদ দেখবেন ?

তেল সরবরাহকারী সংস্থা এলপিজি বছরকে মোট চারটি ভাগে ভাগ করেছে। সেগুলি হল- A,B,C,D. A-এর অর্থ হল জানুয়ারি থেকে মার্চ, B-এর অর্থ হল এপ্রিল থেকে জুন, C-এর অর্থ হল জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর এবং D-এর অর্থ হল অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর। মেয়াদের তারিখ এই কোড অনুযায়ীই নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। যদি আপনি মেয়াদ উত্তীর্ণ গ্যাস ব্যবহার করেন, সেক্ষেত্রে গ্যাস লিকেজের সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। কারণ এক্ষেত্রে সিল অনেকটা হালকা হয়ে যেতে পারে। এমনকি বিস্ফোরণের আশঙ্কাও থাকে। তাই সিলিন্ডারের মেয়াদের তারিখ অবশ্যই দেখে নেওয়া উচিৎ।

একটি উদাহরণে ব্যাপারটি আরও পরিষ্কার হবে। যদি কোনও এলপিজি সিলিন্ডারের ওপর B25 এই নম্বরটি লেখা থাকে, তাহলে বুঝতে হবে ওই সিলিন্ডারটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার তারিখ হল ২০২৫ সালের জুন মাস।