নয়াদিল্লি: কর্মীদের ভবিষ্যত সুরক্ষার জন্য, বেতনের কিছু অংশ প্রভিডেন্ট ফান্ড হিসাবে জমা করা হয়।আপনি যতদিন চাকরিতে থাকেন ততদিন আপনার মূল বেতন থেকে কিছু অর্থ পিএফ হিসাবে জমা রাখা হয়। এর ফলে যখন আপনি অবসর নেবেন, তখন আপনার কাছে একটি বিশাল পরিমাণের অর্থ থাকবে।যার সাহায্যে আপনি আপনার বার্ধক্য সময় ভালোভাবে কাটাতে পারবেন। কিন্তু করোনার সংখ্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় করোনার চিকিৎসার খরচ নিয়ে স্বাভাবিক ভাবে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে আমজনতার। ইতিমধ্যেই অক্সিজেন থেকে রেমডিসিভির ইনজেকশনের ব্যাপক চাহিদা লক্ষ্য করা গিয়েছে।এরইমাঝে বেতনভুক্ত শ্রেণির জন্য স্বস্তির খবর দিল এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন বা ইপিএফও। সংস্থা জানিয়েছে, বেতনভোগী কর্মচারীরা করোনা চিকিৎসার খরচের জন্য সম্পূর্ণ টাকা তুলে নিতে পারবেন অথবা লোনও নিতে পারবেন।

ইপিএফও দ্বারা নির্ধারিত নিয়ম অনুসারে, কর্মচারীরা চিকিৎসার জরুরি অবস্থা, নতুন বাড়ি নির্মাণ বা ক্রয়, বাড়ি সংস্কার, এবং বিবাহের উদ্দেশ্যে PF টাকা তুলতে পারেন বা তার ওপর নির্ভর করে লোন নিতে পারেন।

নিয়ম অনুসারে যারা, কোভিড চিকিৎসার জন্যে টাকা তুলতে চান, তারা স্ত্রী, পরিবারের সদস্য পিতা, মাতা বা শিশুদের চিকিৎসার জন্য জরুরী ভিত্তিতে টাকা তুলতে সক্ষম হবেন।

এমনকি যদি কোনও কর্মচারী বা তার বাবা-মা, স্ত্রী বা শিশুরা কোভিডের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়লে সম্পূর্ণ টাকা তুলতে পারবেন। একজন কর্মী মাসিক বেতনের ছয় গুণ তুলতে পারবেন।অথবা পিএফ অ্যাকাউন্টে কর্মচারীর শেয়ার ও সঙ্গে ন্যূনতম অ্যামাউন্টের ইন্টারেস্টের টাকা তুলতে পারেন। এমনকি এই ধরনের ইপিএফ একাউন্ট থেকে টাকা তোলার ক্ষেত্রে কোন লক-ইন পিরিওড বা ন্যূনতম সার্ভিস পিরিওডের যোগ্যতা দেখা হবে না।

কর্মচারীর ইউএএন (UAN) অথবা ইউনিভার্সাল একাউন্ট নম্বর থাকতে হবে। ইপিএফ একাউন্ট ও ব্যাংক একাউন্টের তথ্যাদি অবশ্যই এক হতে হবে। এক্ষেত্রে কোনো তৃতীয় ব্যক্তির ব্যাঙ্ক একাউন্টে ইপিএফ এর টাকা ট্রান্সফার হবে না। যে পরিচয়পত্র দেবেন তাতে যেন অভিভাবকের নাম, কর্মচারীর জন্মতারিখ একই হয়। যদি তা না হয় তবে টাকা তোলা যাবে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.