নয়াদিল্লি: রেশনকার্ডের মাধ্যমে সরকার তার রাজ্যের মানুষদের রেশন দিয়ে থাকে। আধার কার্ড, প্যান কার্ডের মতন রেশনকার্ড অনেক জায়গায় আইডি প্রুফ হিসাবেও ব্যবহার হয়। দেশজুড়ে ‘এক দেশ, এক রেশন কার্ড’ নিয়ম জারি হওয়ার পর রেশন কার্ডের গুরুত্ব আরও বেড়েছে। এই যোজনায় দেশের যে কোনও প্রান্ত থেকে সস্তায় রেশন পাওয়া যাবে। তার জন্য কোনও নতুন কার্ড প্রয়োজন হবে না।

তবে এখনও দেখা গিয়েছে অনেকেরই রেশনকার্ড নেই। সেই রেশন কার্ড বানাতে করোনার পরিস্থিতির মধ্যে বাইরে যাওয়ার দরকার নেই। এবার স্মার্ট ফোন থেকেই রেশন কার্ডের আবেদন করা যাবে। আপনি যে রাজ্যের বাসিন্দা সেই রাজ্যের ওয়েবসাইটে গিয়ে রেশন কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারেন।দেখে নিন কিভাবে আবেদন করবেন –

১. প্রথমে আবেদনকারীকে নিজের রাজ্যের সরকারি ওয়েবসাইটে লগইন করতে হবে।
২. এরপর Apply online for ration card লিঙ্কে ক্লিক করতে হবে।
৩. রেশন কার্ড তৈরির জন্য আইডি প্রুফ হিসেবে আধার কার্ড, ভোটার আইডি, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স আইডি প্রুফ হিসেবে জমা দিতে পারেন।
৪. আবেদন পত্র ফিল আপ করার পর চার্জ ও অ্যাপ্লিকেশন জমা দেওয়ার পর ফিল্ড ভেরিফিকেশন হবে।
৫. আবেদন সঠিক হলে রেশন কার্ড তৈরি হয়ে যাবে।

বাংলার নাগরিকরা https://wbpds.gov.in/ এই ওয়েবসাইটে গিয়ে অ্যাপ্লিকেশন করতে পারেন।কার্ড তৈরির জন্য ৫ থেকে ৪৫ টাকা চার্জ দিতে হতে পারে৷

রেশনকার্ডে নতুন সদস্যের নাম যুক্ত করার জন্য আধার কার্ডে সংশোধন করতে হবে ৷ যদি কোনও মহিলা বিয়ের পর পদবী বদলাতে চায় তাহলে আধার কার্ডে বাবার নামের জায়গায় স্বামীর নাম ও নতুন অ্যাড্রেস বদলাতে হবে ৷ এরপর নতুন আধার কার্ডের তথ্য স্বামীর বাড়ির এলাকার খাদ্য বিভাগ আধিকারিককে দিতে হবে ৷অনলাইন ভেরিফিকেশনের পরও নতুন সদস্যের নাম যুক্ত করতে পারবেন ৷

এছাড়া রেশনকার্ড পোর্টাবিলিটির মতন সুযোগ দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। রেশন কার্ড পোর্টাবিলিটিতে আপনার রেশন কার্ড বদল করা হবে না ৷ অর্থাৎ আপনি এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে গেলে নতুন কার্ড তৈরি করতে হবে না ৷ পুরনো রেশন কার্ড ব্যবহার করে দেশের অন্য রাজ্যে গিয়েও সরকারি রেশন তুলতে পারবেন ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.