জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে গেলে ভালোভাবে পড়াশুনা করাটা প্রয়োজন। কঠোর অধ্যবসায় ও পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই। ভর্তির মরশুম শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ছাত্রছাত্রীরা দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর নিজের সুনিশ্চিত ভবিষ্যৎ তৈরীর চেষ্টা শুরু করে থাকে। কোভিড ১৯ ভাইরাসের কারণে ২০২০-২০২১ শিক্ষা বর্ষে পড়াশুনোর প্রভূত ক্ষতি হয়েছে। ভাইরাসের প্রকোপ থেকে বেরিয়ে এখনও অবধি স্কুল কলেজ গুলো খুলে ওঠেনি। এই পরিস্থিতিতে ছাত্রছাত্রীরা নিজেদের ভবিষ্যতের পড়াশুনো নিয়ে দ্বিধায় রয়েছে। মূলত বিজ্ঞান বিষয় নিয়ে যারা পড়াশুনা করেছে তাদের জন্য আজ রইলো এমন একটি বিষয় যেটা নিয়ে পড়াশুনা করলে ভবিষ্যতে রয়েছে অনেক সুযোগ। বায়োটেকনোলজি।

বায়োটেকনোলজি কী?

বায়োটেকনোলজি তারাই পড়তে পারে যাঁরা ১২ এর পরীক্ষায় বিজ্ঞান নিয়ে পড়েছে। এই বিষয়ে বায়োলজি, রসায়ন বা কেমিস্ট্রি, টেকনোলজি ও অঙ্ক থাকে। স্বাস্থ্য, ওষুধ শিল্প, খাদ্য উৎপাদন, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, পশু প্রতিপালন, কৃষিকাজ, বস্ত্রশিল্প ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিপুল ভাবে ব্যবহার করা হয়।

বায়োটেকনোলজি নিয়ে পড়ার জন্য বিভিন্ন কোর্স রয়েছে যেমন ডিপ্লোমা ইন বায়ওটেকনোলজি, বিএসসি, বিটেক, বিই ইন বায়ওটেকনোলজি, এমএসসি, এমটেক ইন বায়ওটেকনোলজি ইত্যাদি।
বায়ওটেকনোলজি বিষয়ে যে টপিক গুলো কভার করা হয়:

বায়োকেমিস্ট্রি: এই টপিকটি মূলত বায়োলজি ও কেমিস্ট্রির মিশেল। মূলত কোষের রাসয়নিক প্রক্রিয়াকরণ নিয়ে, কোষ গঠন, DNA, অনু পরমাণু নিয়ে এখানে আলোচনা করা হয়।
মাইক্রো বায়োলজি: এই বিষয় নিয়ে পড়াশুনা করলে স্বাস্থ্য পরিষেবার চাকরিক্ষেত্রে সুযোগ অনেক। ব্যাকটেরিয়া, ফাংগাস, ভাইরাস, প্রোটোজোয়া এবং মানব শরীরে তাদের প্রভাব নিয়ে এই বিষয়ে পড়ানো হয়।

অ্যাগ্রি টেক: এই বিষয় মূলত এগ্রিকালচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং নামেই পরিচিত। যেখানে বিভিন্ন প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে কৃষিকাজ কে উন্নত করা যায়।

ফার্মাকোলজি: এই কোর্সটি বিভিন্ন ওষুধ ও তাদের প্রয়োগ, তাদের উপকার, ব্যবহার সম্পর্কে পড়ায়। জীবিত কোষে ওষুধের কি প্রভাব সেটাও এখান থেকে জানা যায়।

বায়োটেকনোলজির দ্রুত প্রসার:

প্রত্যেক দিন বায়োটেকনোলজি বিষয়ের দ্রুত প্রসার ঘটছে। মূলত এই করোনা পরিস্থিতির পর থেকেই। করোনা পরবর্তী সময়ে পুরো পৃথিবীর স্বাস্থ্য ব্যবস্থা অনেক খানি পরিবর্তন হয়েছে। বর্তমানে আমাদের দেশে এমন অনেক টেকনো বায়োলজিস্ট প্রয়োজন যাঁরা বিভিন্ন গবেষণার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে যা আমাদের দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা কে আরও উন্নততর করবে। তাই এই বিষয়ের কোন শাখা নিয়ে যদি পড়াশুনা করা যায় তবে ভবিষ্যতে পেশাগত ক্ষেত্রে কোন সমস্যা হবে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.