শরীরচর্চা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। চিকিৎসকরা বলেন, নিয়মিত শরীরচর্চা আপনাকে নানা দূরারোগ্য ব্যধি থেকে দূরে রাখতে পারে। নিয়ম করে হাঁটা, দৌড়নো শরীরের পক্ষে অত্যন্ত হিতকর। কিন্তু আজকাল রোজকার কাজের চাপে অনেকেই নিয়ম মেনে বাইরে বেরিয়ে হাঁটা, দৌড়তে পারেন না। আপনার ঘরেই তাই বানিয়ে তুলুন ব্যায়ামাগার। ব্যায়ামের জন্য আজকাল অনেকেই নানা সরঞ্জাম কিনে ফেলছেন। একইসঙ্গে হাঁটা ও দৌড়নোর জন্য আজই কিনে ফেলুন ট্রেডমিল।

 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রেডমিলে শুরু থেকেই খুব জোরে দৌড়ানোর প্রয়োজন নেই। ৫-১০ মিনিট হালকাভাবে হেঁটে বা দৌড়ে শরীর গরম করে নিন। পরে শরীর সঙ্গ দিলে জোরে দৌড়ান। কখনই নিজের শারীরিক সক্ষমতার বাইরে গিয়ে ট্রেডমিলে দৌড়বেন না। এটা আপনার পক্ষে মারাত্মক ক্ষতিকারক হতে পারে। কিছুক্ষণ জোরে দৌড়ানোর পর গতি কমিয়ে দিন। ট্রেডমিলে ধীরে ধীরে হাঁটতে শুরু করুন। কখনও হাঁটুন, কখনও দৌড়োন। রিল্যাক্স ফিল করবেন।

 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এক্ষেত্রে আপনি সঠিক ব্যক্তির থেকে পরামর্শ নিতে পারেন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরাও এব্যাপারে আপনাকে সাহায্য করতে পারে। কখনই অতিরিক্ত দৌড়ে শরীরকে বিপদের মধ্যে ফেলবেন না। ট্রেডমিল ঘরে এনে শরীরকে ফিট রাখার বদলে বিপদ ডেকে আনবেন না। নিয়ম মেনে এটির ব্যবহার করুন। ফল পাবেন। শুধু আপনিই নন, পরিবারের অন্যদেরও সঠিক পরামর্শ নিয়ে ট্রেডমিল ব্যবহারে উৎসাহ দিন। ট্রেডমিলে দৌড়নোর জন্য কিছু জুতো আছে। সেগুলি পরে নিয়ে এই যন্ত্রের উপর হাঁটা বা দৌড়নোর নিয়মিত অভ্যাস করুন। প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময় ধরে ট্রেডমিল ব্যবহার করুন। শরীর থাকবে ফিট। মেজাজ থাকবে ফুরফুরে।

 

একাধিক অনলাইন সংস্থা ট্রেডমিল বিক্রি করে। এককালীন ও মাসিক কিস্তিতেও এটি মেলে। নানা সংস্থা নানা অফারের ডালি নিয়ে অনলাইন সাইটগুলিতে ব্যবসা করছে। বাজেট অনুযায়ী আপনার পছন্দের ট্রেডমিলটি শুধু বেছে নিলেই হলো। অনেক সংস্থা ট্রেডমিলের সঙ্গে ব্যায়ামের আরও কিছু সরঞ্জাম আপনাকে গিফট হিসেবে দিচ্ছে। তাই আর দেরি নয়। ফিট থাকতে আজই ঘরে আনুন ট্রেডমিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।