If schools will open then why not college, governor asked CM
ফাইল ছবি।

কলকাতা : বৃহস্পতিবার শীতলকুচি যাচ্ছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। এদিকে এই সফর নিয়ে রাজ্যপালকে কড়া চিঠি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, রাজ্য স্বরাষ্ট্র দফতরের ১৯৯০ সালের “ম্যানুয়্যাল অফ প্রোটোকল অ্যান্ড সেরিমনিয়্যালস’-এর পরিপন্থী।” মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, “সরকারি নীতি এবং রীতি” অনুযায়ী এ বিষয়ে রাজ্য সরকার এবং সংশ্লিষ্ট ডিভিশনের কমিশনার ও জেলা শাসককে বিষয়টি জানানো প্রয়োজন। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তা না করে সরাসরি নেটমাধ্যমে বিষয়টি জানিয়েছেন রাজ্যপাল। সরকারি বিধি এবং রীতির কথা উল্লেখ করে রাজ্যপালকে পাঠানো চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, “জেলা সফরের আগে রাজ্য সরকার এবং জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করেই রাজ্যপালের সচিবের সফরসূচি চূড়ান্ত করার কথা। সরকারি এমনকি, ব্যক্তিগত সফরের ক্ষেত্রেও এই নীতি অনুসরণ করতে হয়।”
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর চিঠিতে বুঝিয়ে দেন, রাজ্যপাল যা করছেন সেটা সরকারি বিধির পরিপন্থী। এভাবে রাজ্যকে না জানিয়ে অফিসারদের সঙ্গে কথা বলে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, এটা সরকারি নিয়মের পরিপন্থী।”

রাজ্যপালের বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় শীতলকুচি যাবেন কপ্টারে। সেখান থেকে তিনি কোচবিহার, মাথাভাবগা যাবেন বলে এখন পর্যন্ত জানা যাচ্ছে। তবে এই প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী ও মনোনীত রাজ্যপালের মধ্যে সংঘাত কী রাজ্যের পক্ষে ভালো নজির? মুখ্যমন্ত্রী বলছেন রাজ্যপাল প্রথা ভেঙেছেন। তাহলে বিরোধীদের ওপর আক্রমণের প্রথাটা কী ঠিক? রাজ্যপাল আর মুখ্যমন্ত্রীর এক সঙ্গে সংঘর্ষ রাখা উচিত।”

এদিকে এই প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা তাপস রায় বলেন, “রাজ্যপাল একটা দলের হয়ে কিছু দায়িত্ব নিয়ে এসেছিলেন। সেই কাজ তিনি সফল ভাবে করতে পারেননি। তাই তাঁর মন খারাপ। এই কারণেই তিনি এসব করছেন। যেখানে কলকাতা হাই কোর্ট বলে দিয়েছে ৭ ও ৮ মে-র পর থেকে রাজ্যে নির্বাচন পরবর্তী সংঘর্ষে প্রাণ হানির ঘটনা ঘটেনি। সেখানে রাজ্যপাল শীতলকুচি গিয়ে কী করবেন।”

এদিকে সৌগত রায় এই প্রসঙ্গে বলেছেন,, “রাজ্যপাল নিজের সীমা লঙ্ঘন করছেন। রাজ্যে যখন সংঘর্ষের ঘটনা থেমে গেছে তখন সেই বিষয়টিকে আবার উস্কে দিতে রাজ্যপাল উদ্যোগ নিচ্ছেন। শীতলকুচির নিহতদের পাশে রাজ্য দাঁড়িয়েছে। মৃতদের পরিবারের পিছু একজন করে চাকরি দেওয়া হয়েছে। রাজ্যপাল আবার সেখানে গিয়ে কী করবেন?”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.