Hima Das appointed as DSP
২০১৮ বিদেশের ট্র্যাকে সোনা জেতেন হিমা৷

নয়াদিল্লি: একসময় বাবার কিনে দেওয়া জুতোয় ‘অ্যাডিডাস’ লিখে দৌড়তে যেতেন। আর সেই স্পোর্টস কিট প্রস্তুতকারক সংস্থা অ্যাডিডাস আজ তাঁর জন্য তৈরি করছে বিশেষ জুতো। যাতে লেখা থাকবে হিমা দাসের নাম। ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে এখন তাঁকে সবাই চেনে ‘ঢিং এক্সপ্রেস’ নামে। বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স মিটে মাত্র ১৯ দিনে ৬টি সোনা জিতে তাক লাগিয়ে দেওয়া হিমা রবিবার ইনস্টাগ্রামে লাইভ চ্যাট সেশনে জাতীয় সুরেশ রায়নার সঙ্গে শেয়ার করলেন অনেক কথাই।

রায়নাকে হিমা জানান একসময় জুতোয় অ্যাডিডাস লিখে দৌড়নো থেকে আজ অ্যাডিডাসের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হওয়ার বিবর্তনের কাহিনী। হিমা বলেন, ‘আমি ছোটবেলায় প্রথমে খালি পায়ে দৌড়নো শুরু করেছিলাম। কিন্তু আমার প্রথম জাতীয় মিটের সময় বাবা আমাকে একটা স্পাইক দেওয়া জুতো কিনে এনে দিয়েছিল। এটা সাধারণ একজোড়া জুতো ছিল। আমি নিজে হাতে ওই জুতো জোড়াতে অ্যাডিডাস লিখেছিলাম। আর আজ আডিডাস আমার নাম লেখা জুতো তৈরি করছে। ভাগ্য কার সঙ্গে কী করবে সত্যি কেউ জানে না।’

বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শেয়ার করার পাশাপাশি ভার্চুয়াল আড্ডায় হিমাকে গানও শোনান রায়না। আড্ডা শেষে রায়নাকে ধন্যবাদ জানিয়ে একটি টুইট করেন হিমা। যেখানে ‘ঢিং এক্সপ্রেস’ লেখেন, ‘ইনস্টাগ্রামে মোটিভেশনাল এই লাইভ সেশনের জন্য রায়না ভাইয়া ধন্যবাদ। তোমার সঙ্গে কথা বলে অনেক কিছু শিখতে পারলাম। তোমার ব্যাটিং, ফিল্ডিংয়ের পাশাপাশি আজ থেকে তোমার গানেরও ভক্ত হয়ে গেলাম।’

পালটা হিমাকে রায়না লেখেন, ‘এটা ভীষণই উপলব্ধি করার মতো একটা সেশন ছিল। আমিই কেবল নই, আমার মনে হয় আজ আমাদের সঙ্গে লাইভ সেশনে যারা যারা যুক্ত হয়েছেন প্রত্যেকে তোমায় দেখে অনুপ্রেরণা লাভ করবে। তুমি মেয়েদের কাছে একজন রোল মডেল। যারা জীবনে অন্যরকম কিছু করতে চায়, লক্ষ্যপূরণ করতে চায় তুমি তাদের অনুপ্রেরণা। এভাবেই এগিয়ে যাও এবং আগামিদিনে অনেক সফল হও।’

উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাসের জেরে দেশজুড়ে যখন লকডাউন চলছে। তখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভার্চুয়াল আড্ডাই একমাত্র পথ প্রত্যেকের কাছে। ইনস্টাগ্রামে লাইভ চ্যাটের মাধ্যমে দেশ-বিদেশের বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ করে চলেছেন অ্যাথলিটরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.