কলকাতা: যোগী আদিত্যনাথ উত্তরপ্রদেশের তখতে বসার পরেই তাঁকে কট্টর হিন্দুত্ববাদের ‘ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর’ বলে সমালোচনা শুরু করেছেন বিরোধীরা৷ অভিযোগ উঠছে তাঁর মুখ্যমন্ত্রীত্বে বেড়ে যেতে পারে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি৷ এমত পরিস্থিতিতে উল্টো সুর শোনা গেল বিজেপি-র অন্যতম বিরোধী তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ তথা নারদা স্টিং অপারেশনে বিদ্ধ সুলতান আহমেদের গলায়৷ সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন যে, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ায় যোগী আদিত্যনাথের সমালোচনা করা কোনও রাজনৈতিক দলেরই উচিত নয়৷ কারণ তিনি সাংবিধানিক ভাবে বিজেপি-র বিধায়কদের দ্বারাই নির্বাচিত হয়েছেন৷

শুধু তাই নয় যোগী আদিত্যনাথের উপর যে ‘সাম্প্রদায়িক’ তকমা রয়েছে তারও বিরোধিতা করেছেন এই তৃণমূল সাংসদ৷ তিনি জানিয়েছেন যে, সংবিধানীক পথে নির্বাচিত হয়ে কোনও রাজনৈতিক পদে আসীন হওয়ার অধিকার যোগী বা মৌলবি প্রত্যেকেরই রয়েছে৷ এই তৃণমূল সাংসদের উল্টো গানই জল্পনা বাড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে৷ কারণ নারদা স্টিং অপারেশনে অন্যতম অভিযুক্ত সুলতান আহমেদ৷ কিছুদিন আগেই নারদ মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট৷ ফলে রাজনৈতিক মহলের আশঙ্কা, নারদা হুল থেকে বাঁচতেই কি সুলতান আহমেদের বিজেপি প্রীতি?

উত্তরপ্রদেশ ভোটের ফলাফলের পরে যে সারদা-নারদা তদন্ত গতি পাবে৷ একাধিকবার একথা শোনা গিয়েছে রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষের গলায়৷ এমনকি তিনি এও বলেছেন যে, নিচু তলা থেকে উঁচু তলা তৃণমূলের বহু নেতাই সরাসরি যোগাযোগ রাখছেন তাঁর সঙ্গে অথবা দিল্লিতে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে৷ আর এখানেই বাড়ছে জল্পনার পারদ! তবে কি সুলতান আহমেদই হবেন পরবর্তী উইকেট? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে৷