মুজফফরনগর: ভগবান হনুমানের মাথায় উঠল আড়াই কেজি সোনার মুকুট৷ উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের হাত ধরে এই সোনার মুকুট পড়লেন ভগবান হনুমান৷ মুজফফরনগরের সুক্রাতালের মন্দিরে আড়াই কেজির সোনার মুকুট উপহার দিলেন মুখ্যমন্ত্রী৷

রবিবার স্বামী কল্যানদেবের মৃত্যুবার্ষিকীতে এই হনুমান মন্দির দর্শন করেন যোগী আদিত্যনাথ৷ গঙ্গা নদীর তীরে গড়ে তোলা হয়েছে ৭৫ ফুট উঁচু ভগবান হনুমানের মূর্তি৷ সেই মূর্তিতেই সোনার মুকুট দান করলেন মুখ্যমন্ত্রী৷

এছাড়াও ওই এলাকার উন্নয়নে ১০ কোটি টাকার তহবিল তৈরি করেছেন যোগী আদিত্যনাথ৷ ঘোষণা করেছেন বেশ কিছু প্রকল্পের কথাও৷ এর আগে, অযোধ্যায় ভগবান রামের মূর্তির উন্মোচন করেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী৷ অযোধ্যার শুদ্ধ সংস্থান মিউজিয়ামে ৭ ফুট উচ্চতার এই রামের মূর্তির উন্মোচন করা হয়৷ বিশেষ কাঠের তৈরি এই মূর্তি তৈরি করে আনা হয় কর্ণাটক থেকে৷

আরও পড়ুন : রাজ্যপাল শুধুই হাতের পুতুল, সরকারি চাকরির পরীক্ষায় প্রশ্নে তোলপাড়

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের অক্টোবরে আদিত্যনাথের সরকার সরযূ নদীর তীরে এই রামমূর্তি গড়ার কথা ঘোষণা করেছিল৷ বিভিন্ন সংস্থার কাছ থেকে অর্থ নেওয়া হয়েছিল, তাদের সামাজিক দায়বদ্ধতার নিদর্শন হিসেবে এটি পর্যটনকে উৎসাহিত করবে বলে জানানো হয়েছিল৷

রাম মূর্তিটির উচ্চতা প্রথমে ঠিক হয়েছিল ১০০ মিটার৷ এরপর সম্প্রতি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ১৮৩ মিটারের সর্দার প্যাটেলের মূর্তি উদ্বোধন করলেন যা পৃথিবীর সর্বোচ্চ মূর্তি ৷ এরপরই অযোধ্যায় রামের মূর্তির উচ্চতা বাড়িয়ে ১৫১ মিটার করার কথা জানায় যোগী সরকার৷ তবে এই মূর্তিটি একেবারেই ছোট৷ ৭ ফুটের মূর্তি উন্মোচন করেই শরিক শিবিরে দাবিতে কিছুটা হলেও প্রলেপ দিতে চাইছেন যোগী আদিত্যনাথ৷

এর আগে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘‘হনুমানই ছিলেন দলিত। তিনি ছিলেন একজন বনবাসী। অনেক বঞ্চনা করা হয়েছিল তাঁকে। রাম যখন ছিলেন বনবাসে, তখন আবার রাক্ষসদের হাত থেকে স্থানীয় আদিবাসীদের বাঁচাতে এগিয়ে এসেছিলেন হনুমানই। ত্রেতা যুগে যে কাজটা করেছিলেন রাম।’’