কলকাতা: আজকাল দৌড়াদৌড়ির জীবনে একটু স্বস্তির নিশ্বাস খুঁজি আমরা নানাভাবে। তবে যাই করুন মন আর শরীরকে ফিট রাখতেই হবে পরের দিনের দৌড়ঝাঁপের জন্যে। এর জন্যে সঠিকভাবে জীবনধারার পদ্ধতি বাছাটাও জরুরি। তাই মন ও দেহ প্রশান্ত রাখতে প্রতিদিনের রোজনামচায় রাখতে ভুলবেন না শরীরচর্চা। এই শরীরচর্চা নানাভাবে করা যেতেই পারে। তবে সবচেয়ে সহজ হলো যোগা। যে কোনো বয়সেই তা করা যায় বলে এর গ্রহণযোগ্যতাও বেশি। তবে আমরা সাধারণভাবে খুব কম লোকই যোগায় ম্যাট বা আসনের গুরুত্ব জানি বা বুঝি। যারা জানেন না তারা এই লেখাটি পড়ে অবশ্যই দৌড়াবেন দোকানে।

আগেকার দিনেও মাটির উপর বসেই সরাসরি যোগা অভ্যেস করার চল ছিল প্রচলিত। কিছু কিছু ক্ষেত্রে অনেককেই দেখা যেত বাঘছাল পেতে বসে তার উপর অভ্যেস করছেন আসন বা যোগা। ধীরে ধীরে নতুন মোড়কে এলো যোগা ম্যাট। মাটির সঙ্গে অনেক সময়ে পায়ের বা শরীরের কোনো অংশের ঘর্ষণে ব্যথা লাগতে পারে সরাসরি বসলে। আবার ঘাম মাটিতে পড়ে সেই জায়গাটিও পিচ্ছিল হয়ে যেতে পারে। তাই আজই কিনুন এই ম্যাট। দোকানে ছুটতে হবে না। রইলো লিংক। সেখানে গেলেই হরেক সম্ভার দেখতে পাবেন ম্যাটের। এবার জানা যাক কেন টাকা খরচ করে কিনবেন এই ম্যাট?

১. ম্যাট আপনাকে স্টেবিলিটি দেয় যাতে যোগা করতে গিয়ে কোনোভাবেই পড়ে না যান। আর যদিও বা পড়ে যান তাহলে মাটিতে আঘাত লাগবে না। এছাড়াও এর জন্যে আপনি একটি নির্দিষ্ট পরিমাপ পেয়ে যান যে এর বাইরে আপনি আসন করলে আঘাত লাগতে পারে।

২. ম্যাট ঘামে ভিজে গেলেও নরম হয়ে যায় না। ফলে আপনার মাটি শক্ত থাকে। যখন শরীরকে নিয়ন্ত্রণের কোনো যোগা করছেন সেই সময় থুবড়ে পড়ার বা অন্যভাবে পড়ার যাতে শরীরে চোট লাগে। ম্যাটের জমি সমতল হওয়ায় পড়লেও আপনার লাগবে না। আর একটি শক্ত খুঁটি পাবেন আঁকড়ে ধরার।

৩. বলা হয় যে যোগা অভ্যেস করলে আপনার শরীর এতটাই হালকা লাগবে যে মনে হবে আপনি উড়তেও পারবেন। যোগা করার সময় শরীরের মধ্যেকার চাপ বা নানা সমস্যাও আপনিও ত্যাগ করছেন একটু একটু করে। তাই এই সময় আপনাকে শান্ত অনুভব করাতে পারে ম্যাট। এতে আপনার মনে হবে আপনি মাটির কাছেই আছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।