বাঁকুড়া: রাজ্যের অন্যান্য জেলার সঙ্গে বাঁকুড়াতেও সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে চতুর্থ বিশ্ব যোগ দিবস পালন করা হল৷ বাঁকুড়া শহরে জেলা স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ সমিতি ও বাঁকুড়া আয়ুস শাখার উদ্যোগে যোগ দিবসের অনুষ্ঠান হয়৷ এদিন বড়দের পাশাপাশি ছোটোরাও এই অনুষ্ঠানে অংশ নেয়৷

সিমলাপালের দুবরাজপুর সম্মিলনী হাইস্কুলে বিশ্ব যোগা দিবসে আটটি প্রাণায়াম ও একুশটি যোগাসন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন যোগা শিক্ষক ও বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক সুধীরকুমার পাল৷ ছাত্র-ছাত্রীদের পাশাপাশি শিক্ষকরাও যোগ ব্যায়াম প্রদর্শনীতে অংশ নেন৷ জেলার জঙ্গলমহলের বিভিন্ন স্কুলেও এদিন উদযাপন করা হয় বিশ্ব যোগা দিবস৷

আরও পড়ুন: সোদপুর স্টেশনে স্বামীর সামনেই শ্লীলতাহানির শিকার স্ত্রী

জঙ্গলমহলের রাইপুর হাইস্কুল মাঠে যোগা প্রদর্শনীতে অংশ নেয় বিভিন্ন বয়সের ছেলে মেয়ে৷ পতঞ্জলি যোগ সমিতির উদ্যোগে বাঁকুড়া জেলার সবচেয়ে বড় যোগ শিবির বলে দাবি উদ্যোক্তাদের। এই যোগ শিবিরে উপস্থিত ছিলেন এলাকার প্রায় এক হাজার ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক, শিক্ষিকা-সহ আরও বহু সাধারণ মানুষ। অনুষ্ঠানের সূচনা করেন রায়পুরের বিডিও সঞ্জীব দাস৷ ছিলেন থানার পুলিশকর্মী-সহ জেলার বিভিন্ন প্রান্তের যোগ শিক্ষক মূল আহ্বায়ক ও পরিচালক-ট্রেনার শ্যামলী বিশ্বাস বলেন, ‘‘জেলার মধ্যে সব থেকে বড় যোগদিবসের অনুষ্ঠান আমরাই করলাম৷ প্রায় এক হাজার জন উপস্থিত ছিলেন৷’’

এছাড়াও জেলার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, সরকারি দফতরের বহু কর্মী, ক্লাব-সহ বিভিন্ন পাড়ায় ব্যক্তিগত উদ্যোগে নিজেদের মত করেই পালিত হয় যোগা দিবস৷ সুস্বাস্থ্যর লক্ষ্যে প্রাচীনকাল থেকেই ভারতবর্ষে এই যোগা পদ্ধতি চলে আসছে৷ বিভিন্নরকমের যোগাসনের মধ্যে দিয়ে যেমন মনসংযোগ বৃদ্ধি করা যায়৷ তেমনই বহু রোগ নিরামূলে সহায়তা করে বিভিন্নরকমের যোগাসন৷ এমন বহু মানুষ রয়েছেন, যাঁরা যোগাসনের মাধ্যমেই বিভিন্ন রোগের সমস্যা থেকে মুক্তি পেয়েছেন৷ ওষুধকে ত্যাগ করেও সুস্থ থাকা সম্ভব বহুবার যোগা পদ্ধতি তা প্রমাণ করেছে৷

আরও পড়ুন: জঙ্গলমহলে শোচনীয় পরাজয়ে ‘অন্তর্ঘাত’ই দেখছেন মমতা