নিউ ইয়র্ক: ইয়েমেনে সামরিক আগ্রাসন চালাতে গিয়ে আটকে পড়েছেন সৌদি যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন সালমান। আমেরিকার বহুল প্রচারিত দৈনিক নিউ ইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদনে সে কথাই বলছে ৷ এজন্য তিনি আবার আমেরিকার সাহায্যও চেয়েছেন। ইয়েমেন ইস্যুতে বিন সালমান আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ চাপের মুখে পড়েছেন বলেও নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে।

চার বছরের বেশি সময় ধরে দারিদ্রপীড়িত ইয়েমেনের উপর সৌদি আরব জোটবদ্ধভাবে সামরিক আগ্রাসন চালাচ্ছে , যদিও এখন পর্যন্ত কোনও লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি। এই সামরিক আগ্রাসনের প্রধান দুটি লক্ষ্য হল – পলাতক প্রেসিডেন্ট আব্দ রাব্বু মানসুর হাদিকে ক্ষমতায় ফেরান ও হুথি আসনারুল্লাহ আন্দোলনকে বিনষ্ট করা ৷

এমন অবস্থায় হতাশ সৌদি যুবরাজ আমেরিকার কাছে বাড়তি সহায়তা চেয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কূটনীতিক এই তথ্য দিয়েছেন। সেক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত সাহায্যের মধ্যে রয়েছে- গোয়েন্দাদের সহযোগিতা এবং মার্কিন স্পেশাল ফোর্স মোতায়েনের দাবি। ইয়েমেন আগ্রাসনের শুরু থেকেই আমেরিকা সৌদি আরবকে অস্ত্র ও রসদ দিয়ে সাহায্য করে আসছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.