মুম্বই: আবারও রাজনীতির ময়দানে আসতে চলেছেন অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত। প্রায় ১০ বছর পর আবারও রাজনীতির আঙিনায় পা দিচ্ছেন তিনি। ৬০ বছর বয়সী এই প্রবীন অভিনেতা রাষ্ট্রীয় আরএসপি-র হাত ধরে রাজনীতিতে আসতে চলেছেন বলে জানিয়েছেন ক্যাবিনেট মন্ত্রী ও দলের প্রতিষ্ঠাতা মহাদেভ জনকর।

জনকর জানিয়েছেন, আরএসপি মুম্বইয়ের সিনে জগতে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে চায়। তিনি বলেন, “আমরা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি তে নিজেদের জায়গা পাকা করার জন্য কাজ করা শুরু করছি। ২৫ তারিখ সঞ্জয় দত্ত আরএসপি তে যোগদান করেছেন বলেও জানিয়েছেন।”

মহাদেব জনকর বর্তমানে পশুপালন ও দুগ্ধ প্রক্রিয়া দফতরের মন্ত্রী। দলীয় অনুষ্ঠানে সঞ্জয় দত্তের যোগদানের কথা জানিয়েছেন এবং আগে থেকে রেকর্ড করা একটা ভিডিও দেখিয়েছেন যেখানে সঞ্জয় দত্ত তাঁকে ‘ভাই’ বলে সম্বোধন করছেন।

২০১৪ সালে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের সাথে শরিক হয়ে তারা ইলেকশন লড়েছিল। এবং তাদের ৬ জন কর্মীর মধ্যে রাহুল কুল দাউন্দ কেন্দ্র থেকে জয়লাভ করেন এবং ২০০৯ সালে জনকর মধ্য লোকসভা কেন্দ্র থেকে শরদ পাওয়ারের বিরুদ্ধে হেরে যান।

২০১৪ সালের থেকেও সামনের নির্বাচনে বেশি আসন এর দাবী করেন জনকর দলীয় কর্মসুচী তে। সংরক্ষণের প্রসঙ্গে জানান, তারা ধাঙ্গর সম্প্রদায়ের হয়ে ৬০ শতাংশ কাজ করে ফেলেছেন। এবং এই সম্প্রদায়ের আগের থেকে অনেক বেশি সুবিধা পাচ্ছে।

যদিও এই সম্প্রদায় তফসিলি জাতিভুক্ত হওয়ার জন্য অনেকদিন ধরেই আন্দোলন করছে। এবং বর্তমানে তারা ভিজেএনটি (বিমুক্ত জ্যোতি নমাদিক ট্রাইবস্) গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। ২০০৯ সালে সমাজবাদী পার্টির হয়ে রাজনীতিতে এলেও আদালত থেকে জামিন না পাওয়ার জন্য সঞ্জু বাবা নিজের নাম তুলে নেন।

এরপর জেনারেল সেক্রেটারি হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা করা হলেও তিনি নাম তুলে নেন এবং দল ছেড়ে বেরিয়ে আসেন । যদিও এবারে রাজনীতিতে তাঁর আসার কথা শোনা গেলেও নিজেই তিনি অস্বীকার করেন।

তাঁর বাবা প্রয়াত সুনীল দত্ত মৃত্যুর আগে অবধি কংগ্রেসের হয়ে মুম্বাইয়ের উত্তর পূর্ব অংশ থেকে পাঁচবার প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন এবং ২০০৪-০৫ সাল অবধি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছিলেন। তাঁর বোন প্রিয়া দত্ত কংগ্রেসের একজন প্রাক্তন এমপি ছিলেন।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ