মুম্বইঃ করোনা মরণ কামড় বসিয়েছে গোটা দেশে। নিত্য কয়েক হাজার মানুষ মারা যাচ্ছেন করোনায় আক্রান্ত হয়ে। এই মুহূর্তে দাঁড়িয়েই ভ্যাকসিনের আকাল দেখা দিয়েছে দেশজুড়ে। করোনা মহামারীর এমন দুর্বিসহ অবস্থায় মহারাষ্ট্র সরকার বাধ্য হয়েছেন লকডাউন ঘোষণা করতে। সঙ্গে ইন্ডাস্ট্রির শুটিং বন্ধ করেছে। বলিউডের সিরিয়াল, সিনেমা সকল কিছুর শুটিং বন্ধ রয়েছে। করোনা রুখতে ভ্যাকসিনের উপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এমন সময় বলিউডের জনপ্রিয় প্রযোজনা সংস্থা ‘যশ রাজ ফিল্মস’ ইন্ডাস্টি এবং মিডিয়ার ৩০,০০০ কর্মীকে বিনামূল্যে করোনার ভ্যাকসিন গ্রহণের ব্যবস্থা করে।

ফেডারেশন অফ ওয়েস্টার্ন ইন্ডিয়া সিনে এম্পলয়িজকে একটি চিঠির মাধ্যমে যশ রাজ ফিল্মস পক্ষ থেকে জানান হয়, বিনোদন এবং মিডিয়া জগতের ৩০,০০০ কর্মীদের বিনামূল্যে করোনার টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করছেন তারা। এই চিঠিতে প্রযোজনা সংস্থা আরও উল্লেখ করেছেন, করোনার জেরে বন্ধ রয়েছে ইন্ডাস্টির শুটিং। ফলে হাজার হাজার কর্মী তাদের জীবিকা নির্বাহ করতে পারছে না। এই সময় দাঁড়িয়ে টিকা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। যত দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে ওই কর্মহীন মানুষগুলো আবার কাজে ফিরতে পারবে। এই চিঠিতে যশ রাজ মহারাষ্ট্র মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের কাছে অনুরোধ করেছেন তিনি যেন প্রযোজনা সংস্থাকে ভ্যাকসিন কেনার অনুমতি দেন। যশ রাজ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই ভ্যাকসিন প্রক্রিয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

ফেডারেশন অফ ওয়েস্টার্ন ইন্ডিয়া সিনে এম্পলয়িজ উদ্ধব ঠাকরেকে একটি চিঠি লিখে যশ রাজ ফিল্মজের এই উদ্যোগটিকে যত দ্রুত সম্ভব বিবেচনার জন্যে অনুরোধ করেছেন। এই মুহুর্তে ইন্ডাস্ট্রির কলা কুশলীদের টিকা গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন তারা। কারণ হিসাবে তারা উল্লেখ করেছেন, ‘ভ্যাকসিন কেবল মাত্র করোনার বিরুদ্ধে লড়াই নয়, রাজ্যের ভেঙে পড়া অর্থনীতির ক্ষতিপূরণেরও লড়াই বটে’।

ইতিমধ্যে সরকারি বেসরকারি কোন হাসপাতালই ভ্যাকসিনের জোগান দিতে পারছে না। অথচ তারই মাঝে গত মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা করেছেন, ১লা মে থেকে ১৮ বছরের উর্ধ্বরা করোনার টিকা গ্রহণ করতে পারবেন। ভ্যাকসিনের জোগান নেই অথচ মোদী সরকারের এরূপ ঘোষণা সাধারণ মানুষের কাছে নিছকই বিদ্রূপ ছাড়া আর কিছুই নয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.