শুক্রবার তৃণমূলের যে প্রার্থী তালিকা প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভাবে তারকা খচিত। নাম রয়েছে ১৪জন তারকার। রাজ চক্রবর্তী, সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়নী ঘোষ, সোহম চক্রবর্তী, অদিতি মুন্সি, কৌশনি মুখোপাধ্যায়, মনোজ তিওয়ারি-দের নাম রয়েছে এই তালিকাতে।

এবার বিজেপির ব্রিগেড ভরানোর জন্য জোর কদমে প্রচার শুরু করেছেন সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া অভিনেতা অভিনেত্রীরা। মোদীর ব্রিগেডের প্রচারে BJP-র পোস্টার টুইট করেছেন বিজেপিতে যোগ দেওয়া অভিনেত্রী পায়েল সরকার।ব্রিগেডের প্রচার শুধু নয় মোদীপাড়া নামে নতুন একটি অ্যাপের প্রচারও করছেন যশ। ২৫ ফেব্রুয়ারি কৈলাস বিজয়বর্গীয়-র সভায় বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন যশ দাশগুপ্ত। “পায়ে পায়ে উড়িয়ে ধুলো/ সবাই মিলে ব্রিগেড চলো” বলে টুইট করেছেন একদা তৃণমূল সহ সভাপতি হিরণ।

শুক্রবার ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে ২৯১টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার মধ্যে ১৪টি আসনে দেওয়া হয়েছে তারকা প্রার্থী। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে যে বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে তৃণমূল বেশি মার্জিনে পিছিয়ে ছিল সেই আসনগুলিতেই তারকা প্রার্থী দিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বারাকপুর বিধানসভা কেন্দ্রে তারকা প্রার্থী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রতে তারকা প্রার্থী কৌশানি মুখোপাধ্যায়,আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রতে তারকা প্রার্থী সায়নী ঘোষ, উত্তরপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রতে তারকা প্রার্থী কাঞ্চন মল্লিক,বারাকপুর বিধানসভা কেন্দ্রতে তারকা প্রার্থী রাজ চক্রবর্তী,চণ্ডীপুর বিধানসভা কেন্দ্রতে প্রার্থী সোহম চক্রবর্তী, বারাসত বিধানসভা কেন্দ্রতে তারকা প্রার্থী চিরঞ্জিত চক্রবর্তী,রাজারহাট বিধানসভা কেন্দ্রতে এবারের তারকা প্রার্থী অদিতি মুন্সি​।

নেতা এবং অভিনেতা এক হয়ে গেল এবারে রাজনীতির মঞ্চে। মুখ মুখোশ এর ভিড়ে এবারের রাজনীতি জোর তরজাতে। সবুজ শিবির থেকে প্রায় এক ঝাঁক তারকা যোগ দিলেন বিজেপিতে। ভোল পাল্টে ফুল বদল যেন এবারের রাজনীতিতে একটা বড় দিক। অভিনেতাদের প্রার্থী করে এর আগেও বাজিমাত করেছে তৃণমূল। এবারের ভোটে যেখানে দুই শিবির অর্থাৎ গেরুয়া শিবির এবং সবুজ শিবিরের এই তারকাদের ভিড় সেখানে দাঁড়িয়ে কি হবে ভোটের ফলাফল, তা নিয়ে চিন্তায় রাজনৈতিক মহল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.