চণ্ডীতলা: বিজেপি প্রার্থীর হয়ে হুগলির চণ্ডীতলায় প্রচারে গিয়ে রাজ্যের শাসকদলকে তকড়া ভাষায় আক্রমণ শানালেন যোগী আদিত্যনাথ। তৃণমূলের আমলে বাংলায় হিংসা ও অরাজকতা চলছে বলে এদিন তোপ দেগেছেন যোগী। রাজ্যের শাসকদলের মদতে একের পর এক দুর্নীতি হয়েছে বলেও এদিন নির্বাচনী সভায় মন্তব্য করেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। এরই পাশাপাশি বিজেপি বাংলায় ক্ষমতায় এলে অ্যান্টি রোমিও স্কোযাড তৈরি করা হবে বলেও এদিন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যোগী।

একুশের লডা়ই জমজমাট। আজও রাজ্যজুড়ে প্রচারে ঝড়। ফের রাজ্যে প্রচারে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। বুধবার শাহের বাংলা সফরের দিনেও রাজ্যে প্রচারে এসেছিলেন যোগী আদিত্যনাথ। বুধবার জলপাইগুড়ির মালে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে রাজ্যের শাসকদলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী।

তৃণমূলকে লুঠেরার দল, তোলাবাজের দল বলে কটাক্ষ করেছেন যোগী। রাজ্যের উন্নয়ন স্তব্ধ করে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এমনও অভিযোগ তুলেছেন যোগী আদিত্যনাথ। শাসকদলকে নিশানা করে যোগী আদিত্যনাথ আরও বলেন, ‘‘যে কাজ উত্তরপ্রদেশে হয়েছে, সেই কাজ বাংলাতেও হতে পারত। তৃণমূল রাজ্যে অরাজকতা চালাচ্ছে। বাংলায় গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করছে তৃণমূল। বাংলার যুবকরা বিপন্ন। কেন্দ্রের কোনও যোজনা মমমতা দিদির সরকার বাংলায় লাগু হতে দেয় না। দিদির সহানুভূতি বাংলার নতুন প্রজন্মের সঙ্গে নেই। দিদির সহানুভূতি বাংলার কৃষকদের সঙ্গে নেই।’’

বৃহস্পতিবারেও চণ্ডীতলার সভা মঞ্চ থেকে রীতিমতো আক্রমণাত্মক ছিলেন যোগী। শাসকদলকে নিশানা করে তিনি বলেন, ‘‘তৃণমূলের আমলে বাংলায় হিংসা ও অরাজকতা চলছে। বাংলা জুড়ে দুর্নীতি ও অপশাসন চলছে। বাংলার এখন বেহাল অবস্থা হয়ে পড়েছে।’’ আদিত্যনাথের পাশাপাশি আজ রাজ্যে প্রচারে ঝড় তুলছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও। প্রকাশ্য সভার পাশাপাশি দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে রোড শোতেও সামিল নাড্ডা। একইসঙ্গে টতুর্থ দফার ভোটের আগে রাজ্যে প্রচারে ঝড় তুলছেন মিঠুন চক্রবর্তী, দিলীপ ঘোষরা। আজ চারটি নির্বাচনী সভা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

বাংলার ভোট এবার আট দফায়। ইতিমধ্যেই রাজ্যে তিন দফার নির্বাচন শেষ হয়েছে। চতুর্থ দফায় আগামী শনিবার ১০ এপ্রিল ৪৪টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। পঞ্চম দফায় ৪৫টি আসনে ভোট হবে ১৭ এপ্রিল। ষষ্ঠ দফায় ভোট হবে ২২ এপ্রিল। সপ্তম দফায় ভোট গ্রহণ হবে ২৬ এপ্রিল ও অষ্টম তথা শেষ দফায় ভোট হবে ২৯ এপ্রিল। বাংলা-সহ পাঁচ রাজ্যেই ভোট গণনা ২ মে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।