ওয়াশিংটন: বিশ্ব জুড়ে চলছে করোনা আতঙ্ক। ইতিমধ্যে একাধিক দেশ চিনের বিরুদ্ধে কড়া সমালোচনা করতে শুরু করেছে। পাশপাশি কড়া আইনি পদক্ষেপের কোথাও ভাবছে একাধিক দেশ। তবে উহান ভাইরাস নিয়ে চিন এবং আমেরিকার শুরু হওয়া বাগযুদ্ধ কিছুটা হলেও কমেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

পরিস্থিতি যাতে দ্রুত স্বাভাবিক হয় সেদিকেই আগ্রহ দেখাতে শুরু করেছে দুই দেশই। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বরাবর নিজের কড়া শব্দচয়নের জন্য বিখ্যাত। করোনা ভাইরাস আতঙ্ক শুরু হওয়ার পরে এটিকে চিনা ভাইরাস বলে তোপ দেগেছিলেন তিনি। যা নিয়ে পরে চিন এবং আমেরিকার মধ্যে শুরু হয়েছিল তীব্র বাগযুদ্ধ।

এমনিকে চিনের তরফে জানানো হয়েছিল এই ভাইরাস বিপর্যয়ের জন্য দায়ি আমেরিকাই। কিন্তু ক্রমশ পরিস্থিতি জটিল হওয়াতে আপাতত দেশের পরিস্থিতি ঠিক করার দিকেই মগ্ন দুই দেশ। মার্কিন সেক্রেটারি মাইক পম্পেও যিনি এই ভাইরাস কে চিনা ভাইরাস বলে বাগযুদ্ধ শুরু করার পিছনে অন্যতম কাণ্ডারি ছিলেন তিনিও এই মুহূর্তে নিজের দেশের পরিস্থিতি নিয়ে যথেষ্ট বেশি চিন্তিত। জানিয়েছেন সাত বিদেশ মন্ত্রীকে নিয়ে গড়া বিশেষ কমিটি কখনই যৌথ সিদ্ধান্ত জানাতে পারে না। তারা আদপে সহযোগিতার কথাই জানিয়েছিলেন।

এও জানিয়েছেন এই মুহূর্তে করোনা ভাইরাস বিশ্বজুড়ে মহামারীর সৃষ্টি করেছে। আর পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সকলকে এক হয়ে কাজ করতে হবে। গত মাসেই আমেরিকার বিদেশ মন্ত্রকের মুখ পাত্রের তরফে করোনা ভাইরাসকে চিনা ভাইরাস হিসেবে জানানো হয়েছিল। যা নিয়ে আমেরিকাতে চিনা রাষ্ট্রদূত কুই তিয়াঙ্কাই বিষয়টির সমালোচনা করেছিলেন। তবে সরাসরি নয়। জানিয়েছিলেন আমেরিকাকে সমর্থন করার জন্য চিন প্রয়োজনে অনেক কিছু করতে পারে।

এও জানিয়েছিলেন আমেরিকানদের প্রতি তার আকর্ষণের কথাও। যার ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র মরগ্যান অরতাগাস কুইয়ের এই মন্তব্যকে সম্মান জানিয়েছিলেন। এছাড়া চিনকে এই ভাইরাস সম্পর্কিত তথ্য ভাগ করে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন। এও জানিয়েছেন এই মুহূর্তে সকলকে এক সঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে। এটা পরস্পরিক দোষারোপের সময় নয়। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে ইতিমধ্যে চিকিৎসা সংক্রান্ত পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হয়েছে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

Tree-bute: রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও