নয়াদিল্লি: রাম মন্দিরের সাফল্য কোনও বিশেষ একজন নিতে পারেন না। এর পিছনে রয়েছে বহু দশকের ইতিহাস এবং প্রচুর মানুষের আত্মত্যাগ। তাই কোনও একজন এই ইতিহাসের প্রতিনিধি হয়ে একা রাম মন্দির গঠনের সাফল্য দাবি করতে পারেন না। বুধবার এমনই মন্তব্য করেন মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা কমল নাথ।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে কটাক্ষ করে এদিন তিনি বলেন অযোধ্যায় রাম মন্দির গঠনের পথ প্রথম দেখিয়েছিলেন প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী। তাই প্রত্যেক ভারতবাসীর কাছে এটা গৌরবের দিন। কোনও বিশেষ দলের অনুষ্ঠান হিসেবে ভূমি পুজোকে দেখলে ভুল করা হবে। ১০৮৯ সালে রাজীব গান্ধী প্রথম এই অযোধ্যায় রাম মন্দির গঠনের স্বপ্ন দেখেন। সেই উল্লেখও করেন তিনি। তাই যদি কোনও একজন এর পুরো সাফল্য দাবি করেন, তা ভুল হবে।

এর আগে কমলনাথ বলেন, ‘সব ভারতীয়ের সম্মতিতেই অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরি হচ্ছে।’ কমলনাথের আগে আরও এক কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিংও রাম মন্দির তৈরির পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। তাঁর দাবি ছিল, ‘প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরির পক্ষে ছিলেন।’

উল্লেখ্য ভূমি পূজনের আগে নিজের বাড়িতে হনুমান চাল্লিশা পাঠের আয়োজন করেন মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথ। নিজের বাড়িতেই এই পাঠের ব্যবস্থা করেন হনুমানজীর ভক্ত এই কংগ্রেস নেতা।

মঙ্গলবার সন্ধেয় অর্থাৎ ভূমি পূজনের ঠিক আগের দিন এই পাঠের ব্যবস্থা করা হয়। সব প্রোটোকল মেনেই এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান কংগ্রেসের মুখপাত্র ভূপেন্দর গুপ্তা। দলের অন্যান্য নেতাদেরও বলা হয়, যাতে তাঁরা বাড়িতেই হনুমান চাল্লিশা পাঠ করেন।

মুখপাত্র আরও জানান যে এপ্রিলে ছিল ‘হনুমান জয়ন্তী’, কিন্তু সরকারের টালমাটাল অবস্থা হওয়ায় কোনও অনুষ্ঠান করতে পারেননি কমল নাথ। তাই বিশেষ দিনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এটি একটি আধ্যাত্মিক অনুষ্ঠান ছাড়া আর কিছু নয় বলেই জানান তিনি। উল্লেখ্য বছর কয়েক আগে সাংসদ থাকাকালীন ১০১ ফুটের একটি হনুমান মূর্তি বসিয়েছিলেন তিনি।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা