কলকাতা: বাংলার হয়ে রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে নামার আগে সুসংবাদ ঋদ্ধিমান সাহার পরিবারে৷ দ্বিতীয়বার বাবা হলেন ভারতীয় টেস্ট দলের এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান৷ শুক্রবার ঋদ্ধিমানের স্ত্রী রোমি সাহা এক পুত্র সন্তানের জন্ম দেন৷ টিম ইন্ডিয়ার এই ক্রিকেটারের বছর সাতেকের একটি মেয়ে রয়েছে৷ রবিবার রাজকোটে সৌরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে রঞ্জি ফাইনালে নামবে বাংলা৷

বুধবারই নিউজিল্যান্ড থেকে দেশে ফিরেছেন ঋদ্ধিমান৷ আর শুক্রবারই তাঁর স্ত্রী পুত্র সন্তানের জন্ম দেন৷ এদিনই বাংলা দল রঞ্জি ট্রফির ফাইনাল খেলতে রাজকোট উড়ে যায়৷ কিন্তু ঋদ্ধিমান শনিবার রাতে বাংলা দলের সঙ্গে যোগ দেবেন৷ নিউজিল্যান্ডে সদ্যসমাপ্ত টেস্ট সিরিজে ভারতীয় দলে ছিলেন বাংলার এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান৷ যদিও ঋদ্ধিকে খেলায়নি বিরাট-শাস্ত্রী জুটি৷ দু’টি টেস্টেই ঋষভ পন্তকে খেলায় ভারতীয় থিঙ্কট্যাঙ্ক৷

এই মুহূর্তে দেশের এক নম্বর উইকেটকিপার ঋদ্ধি দেশের হয়ে শেষ টেস্ট খেলেছেন গত বছর নভেম্বরে ইডেনে৷ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দেশের প্রথম দিন-রাতের টেস্টে খেলেন ঋদ্ধি৷ কিন্তু এই টেস্টেই আঙুলে চোট পান টিম ইন্ডিয়ার এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান৷ তারপর চোট সারিয়ে নিউজিল্যান্ড সফরে টেস্ট দলে সুযোগ পেলেও একাদশে ঋদ্ধিকে রাখেনি টিম ম্যানেজমেন্ট৷ নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুই টেস্টের সিরিজে পর্যুদস্ত হয়েছে ভারত৷

ঋদ্ধি শেষ বাংলার হয়ে রঞ্জি খেলেছিলেন ২০১৭-১৮ মরশুমে৷ সেবার চার ম্যাচে ঋদ্ধির ব্যাটিং গড় ছিল ৩৮.৩৩৷ এবার ফাইনালে উইকেটের পিছনে গ্লাভস হাতের পাশাপাশি ঋদ্ধির ব্যাটের দিকেও তাকিয়ে বাংলা৷ চলতি মরশুমে প্রথমবার বাংলার হয়ে মাঠে নামবেন ঋদ্ধি৷ নিউজিল্যান্ড সফরের আগে ইডেনে বাংলা-দিল্লি রঞ্জি ম্যাচে খেলার সম্ভাবনা থাকলেও বোর্ডের নির্দেশে তা সম্ভব হয়নি৷

মঙ্গলবার ইডেন গার্ডেন্সে সেমিফাইনালে কর্নাটককে ১৭৪ রানে হারিয়ে ১৩ বছর পর রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে ওঠে বাংলা৷ ২০০৬-০৭ মরশুমে শেষবার রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে ওঠেছিল বাংলা৷ বাংলার ব্যাটসম্যানরা প্রত্যাশাপূরণে ব্যর্থ হলেও বোলাররা দলকে ফাইনালে তুলতে বড় ভূমিকা নেন৷ বিশেষ করে বঙ্গক্রিকেটের পেস ত্রয়ী ইশান পোড়েল, মুকেশ কুমার ও আকাশ দীপের হাত ধরে ফাইনালের ছাড়পত্র জোগাড় করে নেয় বাংলা৷ সেমিফানালে কর্নাটকের বিরুদ্ধে বাংলার তিন পেসারই ২০টি উইকেট তুলে নেন৷ তবে ফাইনালে ঋদ্ধিমানের ব্যাটের দিকে তাকিয়ে রয়েছে বঙ্গের ক্রিকেটপ্রেমীরা৷