নয়াদিল্লি: কোয়ারেন্টাইনে থাকাকালীন গত সপ্তাহে বাধ্যতামূলক জোড়া আরটি-পিসিআর (RT-PCR) পরীক্ষার ফল প্রথমে নেগেটিভ এবং পরে পজিটিভ আসায় উৎকণ্ঠা বাড়ছিল। অবশেষে স্বস্তি ঋদ্ধিমান সাহা (Wriddhiman Saha) এবং তাঁর পরিবারের। করোনামুক্ত (COVID Negative) হলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের (Sunrisers Hyderabad) উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। সুস্থ হয়ে সোমবার রাতেই নয়াদিল্লি থেকে কলকাতা ফিরেছেন তিনি।

ইংল্যান্ড সফরগামী ভারতীয় স্কোয়াডেও (India Tour To England) যোগ দিতে আর কোনও অসুবিধা রইল না জাতীয় দলের এই ক্রিকেটারের। চলতি মাসের অন্তিম সপ্তাহে মুম্বইয়ে একত্রিত হবেন ইংল্যান্ড সফরগামী ভারতীয় স্কোয়াড। জুনের প্রথম সপ্তাহে পরিবার-সহ বিলেতে রওনা দেওয়ার আগে সেখানে এক সপ্তাহ কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে ক্রিকেটারদের। নিয়ম মেনে আরটি-পিসিআর পরীক্ষাও হবে। কিন্তু সেসবের আগে আপাতত বাড়ি ফিরে পরিবারের সঙ্গে কয়েকদিন ছুটি কাটাতে চান ঋদ্ধি।

সোমবার সন্ধেয় বাংলার প্রথমসারির এক সংবাদমাধ্যমকে ঋদ্ধি জানিয়েছেন, তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ। তাঁর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে এবং সোমবার রাতেই দিল্লি থেকে কলকাতা ফিরছেন তিনি। ঋদ্ধির কথায়, ‘দুই সন্তান ও স্ত্রীর সঙ্গে অনেকদিন পর দেখা হবে। আমি করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর সকলেই উৎকণ্ঠায় ছিল। রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় সকলেই স্বস্তি পেয়েছে।’ একইসঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে আইসোলেশন নয় বরং স্বাভাবিক জীবনযাপনই তিনি করবেন বলে জানিয়েছেন সানরাইজার্স ক্রিকেটার। আপাতত তাঁর শরীরে কোনও সমস্যা নেই।

উল্লেখ্য, সানরাইজার্স হায়দরাবাদের শিবিরের একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে আইপিএলের জৈব বলয়ে থেকেও করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন ঋদ্ধিমান। গত ৪মে জাতীয় দলের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যানের করোনা রিপোর্ট পজিটিভের খবর আসে। একইদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন দিল্লি ক্যাপিটালিসের (Delhi Capitals) অমিত মিশ্র (Amit Mishra)। উল্লেখ্য, ওইদিনই ২০২১ আইপিএল (IPL 2021) অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করে দেওয়া হয়। ঠিক তার আগেরদিন আইপিএলের জৈব বলয়ে (Bio-Bubble) প্রথমবার করোনা হানা দেয়।

করোনা পজিটিভ হওয়া সত্ত্বেও ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হতে চলা বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল (WTC Final) এবং পরবর্তীতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজের জন্য ২০ জনের স্কোয়াডে জায়গা করে নেন ঋদ্ধি। তবে ফিটনেস পরীক্ষার প্রমাণ দিয়ে তবেই ইংল্যান্ডের বিমানে চড়তে হত তাঁকে। সময়ের অনেকটা আগেই করোনামুক্ত হওয়ায় আর কোনও চিন্তা রইল বলে মনে হয় না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.