ম্যাচে ১০টি ক্যাচ নিয়ে রেকর্ড গড়লেন ঋদ্ধিমান৷

কলকাতা: এক যুগ পর ফের রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে বাংলা৷ ‘বেঙ্গল এক্সপ্রেস’-এ চেপে ১৯৮৯-এর পর ফের রঞ্জি ট্রফি জয়ের স্বাদ পেতে মরিয়া বঙ্গক্রিকেট৷ ফাইনালে বাংলার প্রতিপক্ষ সম্ভবত সৌরাষ্ট্র৷ বুধবার দ্বিতীয় সেমিফাইনালে গুজরাত-সৌরাষ্ট্র ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই ঠিক হয়ে কাদের বিরুদ্ধে ৯ মার্চ মাঠে নামবে অভিমন্যু ঈশ্বরণের দল৷ তবে ফাইনালে বাংলা পাচ্ছে ভারতীয় টেস্ট উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান ঋদ্ধিমান সাহা৷

নিউজিল্যান্ড থেকে দেশে ফিরেই বাংলা দলের সঙ্গে যোগ দেবেন ঋদ্ধিমান৷ সদ্যসমাপ্ত টেস্ট সিরিজে ভারতীয় দলে ছিলেন বাংলার এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান৷ যদিও ঋদ্ধিকে খেলায়নি বিরাট-শাস্ত্রী জুটি৷ দু’টি টেস্টেই ঋষভ পন্তকে খেলায় ভারতীয় থিঙ্কট্যাঙ্ক৷

এই মুহূর্তে দেশের এক নম্বর উইকেটকিপার ঋদ্ধি দেশের হয়ে শেষ টেস্ট খেলেছেন গত বছর নভেম্বরে ইডেনে৷ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দেশের প্রথম দিন-রাতের টেস্টে খেলেন ঋদ্ধি৷ কিন্তু এই টেস্টেই আঙুলে চোট পান টিম ইন্ডিয়ার এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান৷ তারপর চোট সারিয়ে নিউজিল্যান্ড সফরে টেস্ট দলে সুযোগ পেলেও একাদশে ঋদ্ধিকে রাখেনি টিম ম্যানেজমেন্ট৷ নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুই টেস্টের সিরিজে পর্যুদস্ত হয়েছে ভারত৷

ঋদ্ধি শেষ বাংলার হয়ে রঞ্জি খেলেছিলেন ২০১৭-১৮ মরশুমে৷ সেবার চার ম্যাচে ঋদ্ধির ব্যাটিং গড় ছিল ৩৮.৩৩৷ এবার ফাইনালে উইকেটের পিছনে গ্লাভস হাতের পাশাপাশি ঋদ্ধির ব্যাটের দিকেও তাকিয়ে বাংলা৷ ঋদ্ধি ছাড়াও বাংলা দলে ঢুকেছেন সুদীপ ঘরামি৷ আহত কৌশিক ঘোষের পরিবর্দে দলে এসেছেন সুদীপ৷ আর গোলাম মুস্তাফার পরিবর্তে দলে এসেছেন ঋদ্ধিমান৷

মঙ্গলবার ইডেন গার্ডেন্সে কর্নাটককে ১৭৪ রানে হারিয়ে ২০০৬-০৭ মরশুমের পর ফের রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে ওঠে বাংলা৷ বাংলার ব্যাটসম্যানরা প্রত্যাশাপূরণে ব্যর্থ হলেও বোলাররা দলকে ফাইনালে তুলতে বড় ভূমিকা নেন৷ বিশেষ করে বঙ্গক্রিকেটের পেস ত্রয়ী ইশান পোড়েল, মুকেশ কুমার ও আকাশ দীপের হাত ধরে ফাইনালের ছাড়পত্র জোগাড় করে নেয় বাংলা৷ সেমিফানালে বাংলার তিন পেসারই কর্নাটকের ২০টি উইকেট তুলে নেন৷