Novak Djokovic

মেলবোর্ন: রাফায়েল নাদালের যেমন ফরাসি ওপেন কিংবা রজার ফেডেরারে কাছে উইম্বলডন। ঠিক তেমনই নোভাক জকোভিচের কাছে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন হল বধ্যভূমি। রড লেভার এরিনায় এখনও অবধি আটটি মেজর জিতে নবমবার খেতাব জয়ের লক্ষ্যে জোকার। কিন্তু নবমবার খেতাব জয়ের পথটা যে তাঁর সুগম নয়, সেটা তৃতীয় রাউন্ডেই বুঝে গিয়েছিলেন বিশ্বের পয়লা নম্বর। তলপেটে যন্ত্রণা নিয়ে থ্রিলার ম্যাচ জিতেছিলেন তৃতীয় রাউন্ডে।

এরপর চতুর্থ রাউন্ডে নামার বিষয়টি নিয়ে আশঙ্কার দোলাচলে ছিলেন সার্বিয়ান তারকা। কিন্তু রবিবাসরীয় মেলবোর্ন পার্ক দেখল আহত জকোভিচের আরও এক হার না মানা লড়াই। তলপেটে সময়া নিয়েই এদিন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালে প্রবেশ করলেন নোভাক জকোভিচ। হারালেন কানাডার মিলোস রাওনিচকে। আর নিজ্বর বধ্যভূমিতে ম্যাচ জিতে ‘জোকার’ সাফ জানালেন, গ্র্যান্ড স্ল্যাম না হলে তিনি নিশ্চিতভাবে নাম প্রত্যাহার করে নিতেন চোটের কারণে। কানাডিয়ান প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে এদিন জকোভিচের পক্ষে ফলাফল ৭-৬ (৪), ৪-৬, ৬-১, ৬-৪।

আহত জকোভিচ এদিন ম্যাচ জিতে জানান, ‘কোনও প্রস্তুতি ছাড়াই এই ম্যাচে মাঠে নেমেছিলাম আমি। গত ম্যাচের পর থেকে আমি প্রত্যেকটা ঘন্টা নিজেকে সুস্থ করে তোলার কাজে ব্যয় করেছি। আমি নিজেকে সেই জায়গায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছি যেখানে দাঁড়িয়ে লড়াই সম্ভব। আমার ফিজিও দুর্দান্ত কাজ করেছেন।’ জকোভিচ জানান, তিনি এখন যে অবস্থায় রয়েছেন তার চেয়ে অনেক ফিট হয়ে টুর্নামেন্টে নেমেছিলেন। আর সেই কারণেই প্রস্তুতির চেয়ে তার কাছে এখন গুরুত্বপূর্ণ নিজেকে সারিয়ে তোলা, যাতে পরের ম্যাচে তিনি লড়াই ছুঁড়ে দিতে পারেন।

তাই জকোভিচের ভাষায়, ‘গ্র্যান্ড স্ল্যাম ছাড়া এটা অন্য কোনও টুর্নামেন্ট হলে আমি নিশ্চিতভাবে নাম প্রত্যাহার করে নিতাম।’ সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মঙ্গলবার জকোভিচ মুখোমুখি হবেন আলেকজান্ডার জেরেভের। জার্মান তারকার বিরুদ্ধে লড়াই যে সহজ হবে না সেটা ভালোই জানেন ‘জোকার’। তবে সার্বিয়ান তারকার আশা আগামী দু’দিনে তিনি আরও অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠবেন।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার তলপেটের যন্ত্রণাকে উপেক্ষা করে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের তৃতীয় রাউন্ডে পাঁচ সেটের থ্রিলার জেতেন নোভাক জকোভিচ। চোটকে হারিয়ে চতুর্থ রাউন্ড নিশ্চিত করে কোর্টেই গর্জে ওঠেন নবমবার রড লেভার এরিনায় খেতাব জয়ের লক্ষ্যে নামা ‘জোকার’। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেলর ফ্রিৎজকে হারানোর পর জয়কে ‘মোস্ট স্পেশাল’ আখ্যা দেন বিশ্বের পয়লা নম্বর। জকোভিচের পক্ষে ওই ম্যাচের ফল ছিল ৭-৬(১), ৬-৪, ৩-৬, ৪-৬, ৬-২।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.