স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ: শতাব্দী এক্সপ্রেসের মতন ভিভিআইপি ট্রেনে খাবারের মান নিয়ে অভিযোগে সরব যাত্রীরা। পাশাপাশি ট্রেনের কামরায় রয়েছে আরশোলা। বারবার অভিযোগ জানানো হলেও কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না রেল কর্তৃপক্ষ। এবার লিখিতভাবে অভিযোগ দায়ের করলেন বেশ কয়েকজন যাত্রী।

জানা গিয়েছে আপ শতাব্দী এক্সপ্রেস হাওড়া থেকে এনজিপির উদ্দেশ্যে রওনা হয়। মাঝ রাস্তায় যাত্রীদেরকে খাবার দেওয়া হয়। শতাব্দী এক্সপ্রেসের সি-২ কামরায় ছিলেন মালদহের বেশ কয়েকজন যাত্রী। অভিযোগকারী যাত্রী সুব্রত পাল জানান, যে খাবার দাবার দেওয়া হয়েছে, তা রীতিমত নিম্নমানের৷ গোটা কামরার মেঝেতে ঘুরে বেড়াচ্ছে আরশোলা৷ রয়েছে বিভিন্ন ধরণের পোকা মাকড়৷

আরও পড়ুন : বাড়িতেই পচছে বোনের দেহ, চাঞ্চল্যকর ঘটনা দমদমে

আরেক যাত্রী সৌমেন্দ্র দাস বলেন, সপ্তাহে একদিন করে এই ট্রেনে আমি যাতায়াত করি। দিনের পর দিন এখানে নিম্নমানের খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে। বারবার রেল কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোনো লাভ হচ্ছে না। আর সেই কারণেই এদিন অন্যান্য যাত্রীরা এই নিয়ে সরব হয়েছেন৷

রেলের যাত্রী সুরক্ষা কমিটির প্রাক্তন সদস্য নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারি বলেন, ভারতীয় রেলের পরিষেবা দিনে-দিনে তলানিতে ঠেকেছে। যাত্রীভাড়া বাড়ছে অথচ পরিষেবা নেই। যে খাবার পরিবেশন করা হয় তার মান খুবই খারাপ। যে পরিবেশে এই খাবার রান্না করা হয় তা দেখলে গা শিউরে ওঠে। যাত্রী পরিষেবার নামে ভারতীয় রেল যাত্রীদের সাথে প্রতারণা করছে। এই অভিযোগ জানার পরেও রেল কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা না নিলে আমরা আন্দোলনের পথে নামতে বাধ্য হব।

আরও পড়ুন : হাতের কাটা দাগুলির নিজস্ব গল্প রয়েছে, আত্মহত্যা প্রতিরোধ নিয়ে বিশেষ বার্তা স্বস্তিকার

উত্তর মালদহের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, যারা এই খাবার সরবরাহ করে তাদের একাংশের কর্তব্যে গাফিলতির জন্য এধরনের অভিযোগ ওঠে। বর্তমান সরকার ভারতীয় রেলকে অত্যাধুনিক জায়গায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। সাংসদ হিসাবে আমি বলব এই বিষয়গুলি নিয়ে অবশ্যই যেন রেল আধিকারিকেরা নজর দেয়।যদিও গোটা বিষয়টি নিয়ে রেল কর্তৃপক্ষের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।