স্টাফ রিপোর্টার, হলদিয়া: শিল্প শহর হলদিয়া। সেই শহরে অলিতে গলিতে গড়ে উঠেছে ছোট বড় কারখানা। ফলে এলাকায় নিকাশি ব্যবস্থা থাকলেও তা নজদারির অভাবে বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে৷

এদিকে বর্ষা শেষ হয়েও হচ্ছে না। আবহাওয়া দফতর এই বছরের মতো বর্ষা বিদায় হওয়ার ইঙ্গিত অনেক আগেই দিয়েছে৷ কিন্তু সে কথা আবারও মিথ্যে করে দিয়েছে প্রকৃতি৷

ভারি বর্ষার কথা দূরে থাক৷ সামান্য বর্ষাতেও কাবু হয়ে পড়েছে খোদ হলদিয়া পুরসভা লাগোয়া গান্ধীনগর এলাকা। সামান্য বৃষ্টি হলেই জল জমে যাচ্ছে এলাকার নর্দমায়৷ আর সেখানে মশারা তাদের দারুণ ভাবে অভিযোজিত করে চলেছে৷

আর এতেই চরম বেকায়দায় পড়েছে এলাকার বাসিন্দারা৷ তাদের দাবি, কোনও মশকুইটো ম্যাট বা রিফিলও কাজে আসছে না৷ এলাকাবাসীদের দাবি, দিন বা রাত কখনওই মশারির বাইরে নিরাপদ নয় মানুষ৷ এমনকি নিরাপদ নয় মশারির ভেতরেও।

সদ্য জন্ম নেওয়া মশারা দারুণ স্বচ্ছন্দে মশারির ভেতরে প্রবেশ করে যাচ্ছে৷ ফলে বাড়ি বাড়ি জ্বর ও অন্যান্য রোগের প্রকোপ বেড়ে চলেছে। যদিও ডেঙ্গু হওয়ার এখনও কোনও খবর নেই। স্থানীয়রা অভিযোগ করে জানিয়েছেন, হঠাৎ এই মশা বেড়ে যাওয়ার একমাত্র কারণ নর্দমা ভরতি জল৷

পুরসভার উদ্যোগে সুষ্ঠু ভাবে জল নিকাশের জন্য পুরনো ড্রেন ভেঙে নতুন ড্রেন করা হলেও জল নিকাশ সম্ভব হচ্ছে না৷ থৈ থৈ করছে পুরো কলোনি৷ নর্দমার পচা গলা নোংরা জলই এখন হয়ে উঠেছে মশাদের নিরাপদ আঁতুড়ঘর৷ তারপরও নিত্য দিনের নোংরা ফেলার যে গাড়ি বাড়ি বাড়ি আসার কথা তাও নিয়ম মেনে প্রতিদিন আসে না।

ফলে বাধ্য হয়ে মানুষজন বর্জ্য পদার্থ নর্দমায় নিক্ষেপ করছে৷ আর তাতেই জল আরও নষ্ট হয়ে মশা বৃদ্ধি পাওয়ার আদর্শ হয়ে উঠছে৷ এলাকায় কীটনাশক কবে দেওয়া হয়েছে সেটা কারোর মনে নেই৷ জল নিকাশের ব্যবস্থাও করে না। সূত্রের খবর, মূল যে জলনিকাশ তা বাস রাস্তার ধার হয়ে নদী হয়ে গিয়ে মিশেছে৷ সেটি এখন হলদিয়া বন্দরের ড্রোজিং করা পলিতে ভরাট হয়ে গিয়েছে। বহু অৰ্থের বিনিময়ে সেটি পরিষ্কার করতে হবে বলে হলদিয়া পুরসভা ও হলদিয়া বন্দর কর্তৃপক্ষ একে অপরের দিকে তাকিয়ে বসে রয়েছে বলে অভিযোগ। আর এরই মাঝে গান্ধীনগর মশার আতঙ্কে ভুগছে।

এই প্রসঙ্গে হলদিয়া পুরসভার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুর এলাকায় নিকাশি ব্যবস্থাকে আরও উন্নতমানের গড়ে তোলার কাজ চলছে। ফলে কিছু কিছু জায়গা বর্ষার জল জমে রয়েছে। যে সমস্ত জায়গায় জল জমে রয়েছে সেই সমস্ত জায়গায় পুর প্রতিনিধিরা বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে চলেছে। পাশাপাশি পুরসভার পাশাপাশি এলাকার মানুষকেও সচেতন হয়ে এলাকার পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।